
টয়লেটে ফ্ল্যাশ করে লোপাট হতে পারে বাংলাদেশের সাংসদ আনোয়ারুল আজিমের দেহাংশ। এমনটাই মনে করছে তদন্তকারী অফিসাররা।
তন্নতন্ন করে তল্লাশির পরেও এখনও পর্যন্ত সাংসদের দেহাংশ মেলেনি। ভাঙড়ের বাগজোলা খালেও পরপর ৪ দিন তল্লাশির পর এখনও অধরাই দেহাংশ। এই অবস্থায় কোনওভাবে দেহাংশ পাইপ বা বাথরুমে ফ্ল্যাশ করে বাইরে বার করে দেওয়া হতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বাংলাদেশের গোয়েন্দা প্রধান হারুন উর রশিদ সিআইডিকে নিকাশি পাইপে তল্লাশি চালানোর জন্য সিআইডিকে অনুরোধ করেছিলেন। সিআইডির গোয়েন্দার মঙ্গলবার নিউটানের সঞ্জীবা আবাসনে নিকাশি পাইপে তল্লাশি চালিয়েছেন পাশাপাশি আবাসনের উল্টোদিকে বাগজোলা খালেও তল্লাশি চালাচ্ছেন সিআইডির গোয়েন্দারা। আবাসনের সেপটিক ট্যাঙ্কেও তল্লাশি চালিয়েছেন সিআইডির গোয়েন্দারা। অন্য একটি সূত্রে খবর খুনের তদন্তে এবার ডিএনএ টেস্টের কথা ভাবছে সিআইডি। সেক্ষেত্রে সাংসদ আনোয়ারুল আজিমের মেয়ে মুমতারিন ফিরদৌসর ব্লাড স্যাম্পেল টেস্ট করা হতে পারে। এদিকে কেষ্টপুর খালের হাটগাছায় সাংসদ-র দুটো মোবাইল ফোন এবং বেল্ট সহ একাধিক জিনিস ফেলা হয়েছিল। জেরায় এমনটাই জানিয়েছে কসাই জিহাদ। এবার মোবাইলের হদিশ পেতে ডুবুরি নামানো হবে খালে। অন্যদিকে খুনে ব্যবহৃত গ্লাভস সহ জিনিসপত্র নিউটাউনের মল থেকেই কিনেছিল আততায়ীরা। সেখানেও গিয়েছিলেন তদন্তকারী অফিসাররা। এরইমধ্যে মঙ্গলবার ফের তল্লাশি শুরু হয়েছে বাগজোলা খালের সাতুলিয়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায়।









