
দুর্গাপুরে ডাক্তারি ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩ জনকে ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। রবিবার ৩ অভিযুক্ত অপু বাউড়ি, ফিরদৌস শেখ, শেখ রেজাউদ্দিনকে কোর্টে তোলা হলে দুর্গাপুর মহকুমা আদালতের বিচারক ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।
অভিযুক্ত ৩ জনই এলাকারই বাসিন্দা দাবি পুলিশের। আরও একজনকে আটক করেছে পুলিশ। দুর্গাপুরের বিজরা গ্রামে তল্লাশি চালিয়ে বছর ২১-র অপু বাউড়ি, ২৩ বছরের ফিরদৌস শেখ, ৩১ বছরের শেখ রেজাউদ্দিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। শেখ নাসিরুদ্দিন নামে আরেক অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ। মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে এদেরকে গ্রেফতার করা হয়। সহপাঠীকেও জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ। শুক্রবার বাতে দুর্গাপুর আইকিউ সিটি মেডিক্যাল কলেজ ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে খাবার আনতে গিয়েছিলেন নির্যাতিতা এবং তার সহপাঠী। অন্ধকারে তাঁদের পিছু নেয় ৩ জন, অভিযোগ নির্যাতিতার। ভয় পেয়ে জঙ্গলের দিকে দৌড়তে থাকেন তারা। সহপাঠী ওই যুবক পালালেও ছাত্রীকে টেনে হিঁচড়ে জঙ্গলে নিয়ে যান তিন জন। পরানগঞ্জ কালীবাড়ি শ্মশান লাগোয়া জঙ্গলে নিয়ে যায় ও অভিযুক্ত। জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন চালানো হয় বলে। অভিযোগ তরুণীর। তারপর সেখানে আরও ২ জন হাজিব হয়, দাবি নির্যাতিতার।
২ জনকে দেখে ছাত্রীব মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে প্রথমে পালিয়ে যায় ৩ জন। কিছুক্ষণ পর অভিযুক্ত জঙ্গলে ফিরে এসে টাকা চায় বলে অভিযোগ পড়ুয়ার মোবাইল থেকেই সহপাঠীকে ফোন করে ডাকা হয়। তারপর সহপাঠীর সঙ্গেই কলেজ ক্যাম্পাসে ফিরে যান নির্যাতিতা।









