
সাধারণতন্ত্র দিবসে বাংলার ট্যাবলোয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। সঙ্গে দেখা গিয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র ও মাতঙ্গিনী হাজরার ছবি ও প্রতিকৃতিও।
দেশকে স্বাধীন করতে কত রক্ত দিয়েছে বাঙালি, তা তুলে ধরা হয়েছে ট্যাবলোয়। ট্যাবলো একেবারে সামনে ছিল বিশাল বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। যাঁকে দেখা গেল তিনি মগ্ন রয়েছেন আনন্দমঠ লেখায়। চেনা ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তির ঠিক আগে জাতীয় পতাকা হাতে ছিলেন মাতঙ্গিনী হাজরা। এছাড়াও ট্যাবলোয় ছিল দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, ঋষি অরবিন্দ, স্বামী বিবেকানন্দ, ভগিনী নিবেদিতা, মাস্টারদা সূর্য সেন, কাজী নজরুল ইসলাম, বিনয়, বাদল, দীনেশ, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেকর ও রাসবিহারী বসুদের প্রতিকৃতি। ছিল ঐতিহাসিক আলিপুর জেলও। ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে দেখা গেল সেনার আকাশ ওয়েপন সিস্টেম এবং অভ্র মিডিয়াম রেঞ্জ সারফেস টু সারফেস এয়ার মিসাইল সিস্টেম।
কর্তব্যপথে দেখা মিলল ব্রাহ্মোসের। কর্তব্যপথে বায়ুসেনার কুচকাওয়াজ। মাথার উপরে উড়ল দুটি রাফাল, দুটি সুখোই, দুটি মিগ-২৯ ও একটি জাগুয়ার ফাইটার জেট। এবারের কুচকাওয়াজে দেখা গিয়েছে নাগ মিসাইল সিস্টেম, অর্জুন এমকে মেইন ব্যাটেল ট্যাঙ্ক, টি-৯০ ভীষ্ম ট্যাঙ্ক।








