
সোশাল মিডিয়ায় চাইল্ড অ্য়াডাপশন গ্রূপের মাধ্যমেই শিশু পাচার চক্র চালাত পাণ্ডারা। আন্তঃরাজ্য শিশুপাচার চক্রকাণ্ডে তদন্তে নেমে এমনটাই দাবি করেছে সিআইডি। জানা যাচ্ছে দত্তক চাওয়া দম্পতিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হত।
কেউ বাচ্চা দত্তক নিতে ইচ্ছুক হলে জয়েনিং রিকোয়েস্ট করতে হত। শুধু তাই নয়, আবেদনকারীদের আগে বিশ্বাসযোগ্য়তা প্রমাণ করতে হত। সেই বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে পারলেই তাঁদের হোয়াটসঅ্য়াপ নম্বর দেওয়া হত। তারপর আবেদনকারীদের তথ্য় যাচাইয়ের প্রক্রিয়া হত, টাকার ডিল করা হত। সিআইডি সূত্রে খবর, বিভিন্ন রাজ্য়ের শিশু পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্তরা এই হোয়াটসঅ্য়াপ গ্রুপে ছিলেন। ২ দিনের শিশুকে ভিনরাজ্য থেকে এ রাজ্যে এনে পাচার করতে গিয়ে সিআইডির জালে দু’জন ধরা পড়ে। অভিযুক্তরা বেহালার ঠাকুরপুকুরের বাসিন্দা। নিঃসন্তান দম্পতি সেজে সিআইডি আধিকারিকরা যোগাযোগ করেছিলেন অভিযুক্ত মানিক হালদার ও তার স্ত্রী মুকুল সরকারের সঙ্গে।
শিশু নেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত হলে রফা হয় চার লাখ টাকায়। এরপর গয়া থেকে শিশুকন্যাটিকে নিয়ে আসা হয় এরাজ্যে।শালিমার স্টেশনে শিশু-সহ ওই দম্পতি নামলেই তাদের ধরে ফেলেন সিআইডি আধিকারিকরা। গ্রেফতার করা হয় ওই দু’জনকে।
ছবি সৌজন্যে : প্রতিনিধিত্বমূলক






