
চেন্নাইয়ে কাজে গিয়ে গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত গৌরাঙ্গ রানার দেহ সরকারি তত্ত্বাবধানে বৃহস্পতিবার বিমানে করে কলকাতায় আনা হয়েছে। এরপরই মৃতদেহ তুলে দেওয়া হয় তাঁর পরিবারের হাতে।মৃত বছর ৩০-এর গৌরাঙ্গ ঝাড়গ্রাম জেলার গোপীবল্লভপুর ২ নম্বর ব্লকের বড় আসনবনি গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি মাসের মাঝামাঝি পরিযায়ী শ্রমিক গৌরাঙ্গ চেন্নাইয়ে একটি বেসরকারি কোম্পানির কাজ করতে গিয়েছিলেন। গত রবিবার সন্ধ্যায় কোম্পানির কাজ সেরে রুমে ফেরার পথে রাস্তায় একটি বাইক পিষে দেয় তাঁকে। এর পরেই তামিলনাড়ুর চেঙ্গালপট্ট জেলার একটি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা হয় কিন্তু মাথায় গুরুতর আঘাত থাকায় একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় গৌরাঙ্গ রানাকে। কিন্তু পরের দিন গত সোমবার মৃত্যু হয় ওই বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের। পরিবারের অভিযোগ চিকিৎসার গাফিলতির জন্যই অকালে মৃত্যু হয়েছে ঘরের ছেলের। বৃহস্পতিবার আটটা নাগাদ বিমান পৌঁছায় কলকাতা বিমানবন্দরে। এরপরই সেখানে প্রশাসনের অ্যাম্বুলেন্সে নিজের বাড়িতে পৌঁছয় নিথর দেহ।
রাজ্য সরকারের নির্দেশে, সমস্ত রকম ভাবে সহযোগিতা করে ঝাড়গ্রাম জেলা পুলিশ প্রশাসন। বিধায়ক ডাক্তার খগেন্দ্রনাথ মাহাতো দাঁড়িয়ে থেকে সমস্ত কিছু তত্ত্বাবধান করেন।






