
নয়াদিল্লিতে নবনিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লা সোমবার নবান্ন গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
সূত্রের খবর, বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছাড়িবাড়ি ভাঙচুর নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সামনে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরবেন হামিদুল্লা। যদিও প্রথম থেকেই বাংলাদেশের বক্তব্য, স্থানীয় বিরোধের কারণেই এই হামলা হয়েছিল। ঢাকার অন্তর্বর্তী সরকারের বক্তব্য হিন্দু ঐতিহ্যের প্রতীকের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ইসলামপন্থী আক্রমণ বা সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ড হিসাবে বিষয়টি ভুলভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ওই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির বা ধর্মের কোনও যোগ নেই। এর আগে, ২০১৬ সালে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছিলেন তৎকালীন হাইকমিশনার মোয়াজ্জেম আলি।
ঘটনাচক্রে শুধু রবি ঠাকরের বাড়ির বিষয়ই নয়, যে বাংলাদেশিরা বেআইনিভাবে ভারতে বসবাস করছেন বলে অভিযোগ, তাঁদের চিহ্নিত করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাচ্ছে বিএসএফ, সেই আবহেই মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চলেছেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার।






