
মালদা জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি দুলাল সরকারকে সুপারি কিলার দিয়ে খুন করা হয়েছে। বিহারের বাসিন্দা ২ সুপারি কিলারের গ্রেফতারিতে স্পষ্ট হয়েছে বলে পুলিশের তরফে খবর।
পুলিশের তদন্তে রোহন নামে এক ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। পুলিশের অনুমান রোহনই খুনের ঘটনার চক্রী। রোহনের সঙ্গে দুলাল সরকারের ব্যক্তিগত শত্রুতা ছিল মনে করছে পুলিশ। তবে ঠিক কারণে খুন করা হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। খুনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই ২ সুপারি কিলার বিহারের বাসিন্দা মহম্মদ সামি, আবদুল গনি এবং ইংরেজবাজারের বাসিন্দা টিঙ্কু ঘোষকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে ৫টি আগ্নেয়াস্ত্র। তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে দুলাল সরকারকে মারতে ১০ দিন ধরে মালদায় ঘাঁটি গেড়েছিল দুষ্কৃতীরা দুলাল সরকারের গতিবিধির ওপর নজর রাখছিল দুষ্কৃতীরা। রীতিমত রেকি করে খুন করা হয়েছে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি। তদন্তে পুলিশ আরও জানতে পেরেছে উইন্টার কার্নিভালে খুনের ছক করেছিল দুষ্কৃতীরা। ভিড়ের কারণে প্ল্যান ভেস্তে ২ জানুয়ারি টার্গেট করা হয়।
এব্যাপারে ইংরেজবাজার পুরসভার পুরপ্রধান কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরি দাবি করেছেন ১০ লাখ টাকার সুপারি দিয়ে বিহার থেকে দুষ্কৃতী এনে দুলাল সরকার ওরফে বাবলাকে খুন করা হয়েছে। তবে কে বা কারা সুপারি দিয়েছিল। রাজনৈতিক কারণে খুন না অন্য কোনও কারণে খুনের ঘটনার একদিন পরেও এখনও স্পষ্ট নয়।







