
আমলা বদলে স্থগিতাদেশ চেয়ে করা মামলা খারিজ করেছে হাইকোর্ট। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়।
তৃণমূলের তরফে আইনজীবী তথা সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, বিডিও, ওসি, আইসি-সহ বহু প্রশাসনিক অধিকারিকদের একযোগে বদলি করা হচ্ছে রাজনৈতিক উদ্দেশে। কমিশনের এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি এক্তিয়ার নিয়ে আপত্তি তোলা হয়। ১৫ থেকে ১৯ মার্চের মধ্যে ৪৬ জন অফিসার বদল করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে, ওই আধিকারিকদের পুনর্বহালের দাবিতে দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। জনস্বার্থ মামলা করেন আইনজীবী অর্ককুমার নাগ। অন্যদিকে কমিশনের তরফে জানানো হয় অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই রদবদল করা হয়েছে।
আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত স্বাভাবিক বলে জানো হয়। সেই মামলাই প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ খারিজ করেছে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ।








