
মালদার পর এবার ধূপগুড়ি, জলপাইগুড়িতে কৃষকের মৃত্যুর ঘটনায় শোরগোল পড়েছে। ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
পরেশ সরকার নামে বছর ৬০-র ওই ব্যক্তির দেহ ধূপগুড়ির কুশামারি অঞ্চলে বাড়ির পাশে একটি গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ ঋণ নিয়ে ভুট্টা চাষ করে ক্ষতির মুখে পড়ায় অবসাদে ছিলেন পরেশ সরকার। কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি এবং কালবৈশাখীর কারণে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েন। দেনা কি করে মেটাবেন তা নিয়ে উদ্বেগে ছিলেন। তার জেরেই এই চরম সিদ্ধান্ত বলে দাবি পরিবারের। কদিন আগে আলু চাষে ক্ষতি হওয়ায় মালদায় বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হয়েছিলেন বছর ৬৩-র বিপতি রাজবংশী। ঋণ নিয়ে আল চাষ করেও দাম না মেলায় চরম সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে দাবি করেছে পরিবার। অন্যদিকে ভিন রাজ্যে আলু রফতানি বন্ধ হওয়ায় দুশ্চিন্তায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কৃষকের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। পরিবারের দাবি সুনীল বায় তাঁর জমিতে আলুর চাষ করেছিলেন। কিন্তু ভিন রাজ্যে আলু রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা এবং সঠিক দাম না পাওয়ার অবসাদে ছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোরে হৃদরোগে আক্রান্ত হন সুনীল রায়।
তড়িঘড়ি তাকে জলপাইগুড়ি হাসপাতাল পরে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে গেলে মৃত্যু হয় সুনীল রায়ের।








