
পশ্চিমবঙ্গে এজেন্সি পাঠিয়ে ভোটার তালিকায় কারচুপির চেষ্টা করছে বিজেপি। নেতাজি ইন্ডোরের সভা থেকে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন পাঞ্জাব, হরিয়ানার বহু লোকের নাম এরাজ্যের ভোটার তালিকায় ঢোকানো হয়েছে। দিল্লি থেকে এসব করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের আশীর্বাদেই এসব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। ভোটার তালিকায় কারচুপি ধরতে জেলায় জেলায় কোর কমিটি গড়ার কথা ঘোষণা করেছেন।
ভূতুড়ে ভোটার চিহ্নিতকরণে সুব্রত বক্সির নেতৃত্বে কমিটিও গড়ে দিয়েছেন। কমিটিতে রেখেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক শীর্ষ নেতৃত্বকে। তিনি বলেছেন ওই কমিটি ভূতুড়ে ভোটার চিহ্নিত করবে। ভুয়ো ভোটার ধরতে ১০ দিনের ডেডলাইনও বেধে দিয়েছেন তিনি। কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন ভোটার তালিকা পরিষ্কার করতে হবে। ফের একবার হুঙ্কার দিয়েছেন খেলা হবে। ২০২৬-র খেলা আরও বড় হবে। তাঁর মতে এই কাজটা শুরু করতে হবে ভোটার তালিকা পরিষ্কারের মধ্য দিয়ে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেছেন ভোটার লিস্ট ক্লিন করতে হবে। তা না হলে ইলেকশনের কোনও প্রয়োজন থাকবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি একটা এজেন্সিকে দিয়ে অনলাইনে এসব করানো হয়েছে। দুটো নামও বলেছেন তিনি। তৃণমূল নেত্রীর দাবি ডেটা অপারেটদের কাছে গিয়ে নিয়েছে। কিছু বিএলআরও কে সঙ্গে নিয়ে কারসাজি করছে। তিনি অভিযোগ করেছেন এরাজ্যের লোক যাতে ভোট দিতে না পারে তারজন্য একই এপিক কার্ডে বাইরের লোকের নাম ঢোকানো হচ্ছে।
তাঁর দাবি মুর্শিদাবাদের ভোটারকে উত্তর দক্ষিণ ২৪ পরগনায় নিয়ে আসবে। এজন্য সতর্ক থাকতে বলেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও বলেছেন আধার কার্ড কেলেঙ্কারি করে বাংলা দখলের খেলা চলছে। ভূতুড়ে ভোটার না ধরতে পারলে এনআরসি, সিএএ করে যেকোনও দিন বার করে দিতে পারে। মমতার হুঁশিয়ারি অনেক বিএলআরও এই কাজ করছে। তিনি তাদের হাতেনাতে ধরবেন।





