
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বলেছেন, হিজবুল্লাহ-মুক্ত না হলে লেবাননের অবস্থা গাজার মতো হবে। এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেছেন, তিনি লেবাননের মানুষের কাছে এই বার্তা দিতে চান যে, দেশকে হিজবুল্লাহ মুক্ত করুন। তাহলেই লড়াই থামবে।
তিনি বলেছেন, একসময় লেবাননকে মধ্যপ্রাচ্যের হীরে বলা হতো।তার সৌন্দর্য ও সহনশীলতার জন্য। তারপর একদল সন্ত্রাসী তাকে ধ্বংস করলো। এই দেশে বিশষৃঙ্খলা কায়েম করলো। লড়াই শুরু হলো।নেতানিয়াহুর বক্তব্য,হিজবুল্লাকে অস্ত্র ও অর্থ দিয়ে সমর্থন করে ইরান। তারাই লেবাননকে অস্ত্রঘাঁটি হিসাবে গড়ে তুলেছে।লেবানন তাদের সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে। নেতানিয়াহুর দাবি, হিজবুল্লাহ নেতাদের বিরুদ্ধে একের পর এক আক্রমণের ফলে তারা এখন দুর্বল হয়ে পড়েছে।এত দুর্বল তারা অনেক বছরের মধ্যে হয়নি। ফলে লেবাননের মানুষ একটা গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এসে পৌঁছেছে। অন্যদিকে আমেরিকা, জার্মানিসহ অনেকগুলো সুন্নি আরব দেশ হিুজবুল্লাহকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন বলে ঘোষণা করেছে।নেতানিয়াহু বলেছেন, হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরাল্লার সম্ভাব্য উত্তরসূরিদেরও সরিয়ে দিতে পেরেছে ইসরায়েল।নাসরাল্লা ২৭ সেপ্টেম্বর বেইরুটে ইসরায়েলি বিমান হামলায় মারা গেছেন।এদিকে,ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন,নাসরাল্লার উত্তরাধিকারী হাশেম সাফিয়েদিনও মারা গেছেন। নেতানিয়াহু সেই খবরকে সমর্থন করেছেন। তবে প্রধানমন্ত্রী তার নাম নেননি। অন্যদিকে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলের বিমান হামলায় ৩৬ জন মারা গেছেন ১৫০ জন আহত হয়েছেন। সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে সবমিলিয়ে দু’ হাজার ১১৯ জন মারা গেছেন, আহত হয়েছেন ১০ হাজার ১৯ জন।লেবাননের সরকারি বার্তাসংস্থা জানিয়েছে, ইসরায়েলের বিমান হামলায় দক্ষিণ বেইরুটে কম করে চারটি অ্যাপার্টমেন্ট ভেঙে পড়েছে।এই এলাকা হিজবুল্লার শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত।এর মধ্যে,ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী গ্যালান্ট তার প্রস্তাবিত আমেরিকা সফর বাতিল করেছেন। আমেরিকায় গিয়ে সেদেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনের সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল তার।









