
সাধারণত সবার আগে শীতের শুষ্কতার জানান দেয় ঠোঁট। গায়ের চামড়ার পাশাপাশি ঠোঁটের ত্বক ফেটে চৌচির হয় অনেকের। কারো কারো আবার রক্তও বেরিয়ে যায়।
শীতে ঠোঁট ফাটাকে যদিও আমরা খুবই সাধারণ সমস্যা বলেই জানি। এ সময় এমন কেউ নেই, যার ঠোঁট ফাটে না। ছোট থেকে বড় সবারই ঠোঁট শুষ্ক থাকে এবং ফেটে যায়। সাধারণত বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ অন্য ঋতুর থেকে শীতে কম থাকার কারণে ঘাম কম হয়। এ কারণে সিবেসিয়াস গ্রন্থি থেকে বের হওয়া তৈলাক্ত পদার্থ ত্বকে ছড়াতে পারে না। এ কারণে ত্বকের শুষ্ক জায়গা কুঁচকে ফেটে যায়। কিন্তু শরীরে একটি নির্দিষ্ট ভিটামিনের অভাবের কারণেও এই সমস্যা হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, এই সমস্যা যে কেবল ঠাণ্ডাতেই হয়, এমনটা কিন্তু না। অনেকেরই সারা বছর ধরেই খানিকটা শুষ্ক প্রকৃতির হয়ে থাকে ঠোঁটের চামড়া। তবে শীতে এই সমস্যা অনেকখানি বেড়ে যায়। তবে ঠোঁট ফাটার একটি বড় কারণ শরীরে একটি নির্দিষ্ট ভিটামিনের অভাব। এটি ভিটামিন বি২। এই ভিটামিন ত্বককে কোমল করতে কাজ করে। তাই এই ভিটামিনের অভাবে ঠোঁট ফাটা, শুষ্ক ত্বক ও মুখের আলসারের মতো সমস্যা হতে পারে। শুধু তা-ই নয়, আরো বেশ কিছু লক্ষণ দেখা যেতে পারে ভিটামিন বি২-এর অভাবে।
তবে বেশ কিছু ঘরোয়া উপায়েই মুক্তি পাওয়া সম্ভব ফাটা ঠোঁট থেকে। সে জন্য সবার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ভিটামিন বি২ যুক্ত খাবার খাদ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। ঠোঁট ফাটা রুখতে বেশি করে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খান। শরীরকে হাইড্রেটেড রাখুন। সপ্তাহে ৩-৪ বার ঠোঁট স্ক্রাব করুন। হলুদ ও মধু মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করতে পারেন। ঠোঁটে অর্গানিক লিপবাম ব্যবহার করুন।









