
ন’ বছর আগের কথা,রইস ছবি করার পর ভারতে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খান। কিন্তু পর পর এমন কিছু ঘটনা ঘটে যায় যে ভারতে আর ছবি করে ওঠা হয়নি মাহিরার।
যার মধ্যে সব থেকে বিতর্কিত ছিল রণবীর কপূরের সঙ্গে মাহিরার ধূমপানের ভিডিয়ো।সঙ্গে নজরে আসে অভিনেত্রীর পিঠে কামড়ের দাগ।ঊরি হামলার পর পাকিস্তানি শিল্পীদের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হয়ে ভারতে। ফলে শিল্পীদের ভারতে এসে কাজ করার পথ বন্ধ হয়ে যায়। রণবীর কপূরের সঙ্গে ওই ছবি প্রকাশ্যে আসার পর কী ভাবে দিন কেটেছিল মাহিরার, মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী।ছবিটি নাকি নিউ ইয়র্কে তোলা। একটি হোটেলের বাইরে একান্ত যাপন করছিলেন রণবীর-মাহিরা। অভিনেত্রীর পরনে সাদা পিঠ খোলা জামা, এলোমেলো চুল।রণবীরের পরনে ট্র্যাক প্যান্ট ও টি-শার্ট। হোটেলের বারান্দায় ধূমপান করছেন দু’জনে। এই ছবিতে অনেকেরই নজর কাড়ে মাহিরার পিঠে কামড়ের দাগ। সেই নিয়ে নানা জল্পনা শুরু হয়। এই ঘটনার পর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগতে থাকেন মাহিরা। অনেকেই তাঁকে বলতে শুরু করেন তাঁর কেরিয়ার এ বার শেষ।সেই সময় মাহিরার বিয়ে ভেঙেছে, ছেলে ছোট। যার ফলে খানিকটা চাপ অনুভব করেছিলেন তা স্বীকার করে নিয়েছেন মাহিরা। তিনি বলেছেন, ছবি নিয়ে মানুষের সমালোচনায় ভেঙে পড়েছিলেন। বুঝতে পারছিলেন না কী ভাবে সামাল দেবেন।একটা সময় রাতভর কেঁদে কাটিয়েছেন।সত্যি,সময়টা কঠিন ছিল কিন্তু মাহিরা কঠিন সময় একা পার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তাঁর কথায়, সেই বছরটা অদ্ভুত একটা সফরের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে।একে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে, তার পর ছেলেকে একা হাতে মানুষ করছেন। ও দিকে প্রতিবেশী দেশের পাকিস্তানি শিল্পীদের উপর নিষেধাজ্ঞা।
সব মিলিয়ে বড্ড কঠিন ছিল সময়টা। তবে সে ভাবে কাউকে বুঝতে দেন নি। সেই ঘটনার পর অনেকগুলো বছর কেটে গিয়েছে। দ্বিতীয় বার ঘর বেঁধেছেন মাহিরা। রণবীরও এখন সংসারী।









