
প্রথমে পোস্টে নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করেছিলেন। পরে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ফের কড়া ভাষায় চিঠি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তাঁর অভিযোগ প্রশাসনের শীর্ষস্তরে যেভাবে গণবদল এবং আধিকারিকদের সরানোর প্রক্রিয়া চলছে, তা কেবল পক্ষপাতিত্বই নয়, বরং রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোর ওপর আঘাত। তৃণমূল সুপ্রিমো তাঁর চিঠিতে লিখেছেন ইদানিং নির্বাচন কমিশনের কার্যপদ্ধতি সৌজন্যের সমস্ত সীমা, শিষ্টাচার অতিক্রম করেছে। বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন যে ধরণের পদক্ষেপ কমিশন মিচ্ছে, তাতে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের ছায়া দেখছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ কমিশন বাস্তবের সঙ্গে সম্পর্কহীন এবং জনস্বার্থকে উপক্ষো করে কাজ করছে। এর আগে লম্বা পোস্টে বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ গায়ের জোরে বাংলা দখলের চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠেছে বিজেপি। তাঁকে পরোক্ষভাবে সাহায্য করছে নির্বাচন কমিশন। তিনি বলেছেন পশ্চিমবঙ্গকে যেভাবে বেছে নিয়ে নিশানা করা হচ্ছে তা অভূতপূর্ব এবং উদ্বেগজনক। মানুষের আস্থা না জয় করতে পেরে এখন দখলের পথে এগোচ্ছে বিজেপি। রাজ্যের মানুষই প্রতিহত করবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেছেন নির্বাচন কমিশন একপক্ষ হয়ে কাজ করছে। তাঁর অভিযোগ ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে বিজ্ঞপ্তির আগেই ৫০ জন আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। যাদের মধ্যে মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজিপি, সিপি, আইজি, ডিআইজি, ডিএম, এসপিরাও রয়েছেন।
তৃণমূল সুপ্রিমোর কথায় সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর রাজনীতিকরণ হচ্ছে বলে আক্রমণ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন এই প্রচেষ্টা সংবিধানের ওপর আঘাত বলছেন তৃণমূল নেত্রী।






