
মায়ানমার জুন্টা সরকারের ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মিন্ট সোয়ে মারা গেছেন। বার্ধক্যজনিত কারণে দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর নেপিদোর একটি হাসপাতালে নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি।মিন্ট সোয়ে ২০২১ সালে সেনা অভ্যুত্থানের পর অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন,যখন অং সান সু চির গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করে দেশটির সেনাবাহিনী।
তবে গত বছর থেকে পারকিনসন রোগে ভোগার কারণে তিনি দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি পান। এরপর সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইং নিজেই প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রো টেম প্রেসিডেন্ট ইউ মিন্ট সোয়ে জ্বর ও মানসিক সক্ষমতা হ্রাসের মতো জটিল সমস্যায় ভুগছিলেন এবং আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন।উল্লেখ্য ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনী প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট এবং গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চিকে গ্রেপ্তার করে ক্ষমতা দখল করলে মিন্ট সোয়ে অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট হন। ওই সময় তিনি প্রথম ভাইস-প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং সেনাবাহিনীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত প্রো-মিলিটারি দলের সদস্য ছিলেন।অনেক সংবিধান বিশেষজ্ঞ এই পদোন্নতির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন, কারণ উইন মিন্ট পদত্যাগ করেননি বা অক্ষম ছিলেন না।
তা সত্ত্বেও মিন্ট সোয়ে জুন্টা সরকারের অনুগত থেকে জাতীয় প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা পরিষদের নেতৃত্ব দেন, যা কার্যত সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। তার সভাপতিত্বেই ওই পরিষদ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে এবং ক্ষমতা হস্তান্তর করে সেনাপ্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের হাতে।তবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে মিন্ট সোয়ের ক্ষমতা ছিল নামমাত্র। সরকার পরিচালনার সব ক্ষমতা ছিল মিন অং হ্লাইংয়ের হাতে।









