
বালোচিস্তানে জাফর এক্সপ্রেস অপহরণের ঘটনার পর থেকেই উত্তাপ বাড়ছে পাকিস্তানে। মনে করা হচ্ছে, এ বার বিদ্রোহীদের উপর পুরো শক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে পাকিস্তানের সেনা। দাবি করা হচ্ছে,ট্রেন অপহরণের ঘটনার জেরে তাঁদের উপর হামলা হতে পারে,এমন আশঙ্কা করছেন বিদ্রোহীরাও। এদিকে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বালোচিস্তানে গিয়েছিলেন অপহৃত ট্রেন থেকে উদ্ধার হওয়া যাত্রীদের সঙ্গে দেখা করতে।
তিনি বলেছেন, এই ধরনের কাজ করে পাকিস্তানের শান্তির উদ্যোগকে কেউ নষ্ট করে দিতে পারবে না। তার পরই ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই হামলার সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।কিন্তু পাক সেনা যদি তাঁদের উপর হামলা করে, তাঁদের গায়ে যদি কোনও আঁচ লাগে, তা হলে তাঁরাও পাল্টা হামলা চালাতে পিছপা হবেন না,এমনই দাবি করেছেন বালোচ বিদ্রোহীদের এক কমান্ডার। তিনি বলেছেন,যদি পাক সেনা তাঁদের উপর হামলার চেষ্টা করে, তা হলে পরবর্তী নিশানা হবে ইসলামাবাদ, লাহোর অথবা রাওয়ালপিন্ডি।’ওই কমান্ডার দাবি করেছেন, বালোচ শিশুদের উপর নির্মম অত্যাচার করে পাক সেনা। মহিলাদের তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয়। এ বার যদি এই ধরনের কাজ করার চেষ্টা করে পাক সেনা, তা হলে তাদের জবাব দিতে প্রস্তুত তাঁরা।
বালোচ লিবারেশন আর্মি ,বিএলএ-র ওই কমান্ডার আরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি বালোচদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাঁরাও পাল্টা চাপের কৌশল নেবেন। তাঁর কথায়, মানুষকে মারলে, তাঁরাও পাক সেনাদের মারবেন। শিক্ষা দিতে চান যে, মারের বদলে মার দিতে জানেন তাঁরাও। তাঁর দাবি, প্রতিনিয়ত বালোচদের উপর অত্যাচার হয়। কিন্তু এই অত্যাচার আর সহ্য করবেন না তাঁর আরও হুঁশিয়ারি, সময় থাকতে পাক সেনা নিজেদের শুধরানোর চেষ্টা করুক, না হলে পরিণতি আরও ভয়ানক হতে পারে।







