
দিন কয়েক ধরেই কন্নড় ছবি কেডি দ্য ডেভিল-এর আইটেম গান নিয়ে তুমুল বিতর্ক। যে গানের দৃশ্যে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির জেরে বিতর্কে জড়িয়েছেন নোরা ফতেহি।
কন্নড় সিনেমার ওই যৌন ইঙ্গিতমূলক আইটেম নম্বর নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠেছিল সংসদে। সেখানেই তথ্য-সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব চটুল গানটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। আপত্তি উঠেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের তরফেও।এমনকী নোটিস পাঠিয়ে তলব করা হয়েছে মহিলা কমিশনের তরফেও।এবার আরও বিপাকে বলিউডের নোরা ,ফতোয়া জারি হয়েছে নোরা ফতেহির বিরুদ্ধে।এইমুহূর্তে হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির একনম্বর আইটেম গার্ল নিঃসন্দেহে নোরা। মুন্নি মালাইকা পরবর্তী অধ্যায়ে সিনেপর্দায় শরীরী হিল্লোলে দর্শকমনে প্রভাব ফেলতে প্রযোজক-পরিচালকদের একমাত্র ভরসা তিনিই।বিগবাজেট হোক কিংবা মাঝারি বাজেটের সিনেমা আইটেম নম্বর হিট করতে হলেই ডাক পড়ে তার।তবে এবার কন্নড় ছবি কেডি দ্য ডেভিল-এর সারকে চুনার তেরি সারকে গানে পারফর্ম করে বেজায় বিতর্কে জড়িয়েছেন নায়িকা।যদিও নিন্দুকদের নিশানায় গানের লিরিক্স।তবে গানের দৃশ্যে নোরার অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি এবং শরীরী ভাষা নিয়েও কম চর্চা হচ্ছে না। এমন আবহেই মুসলিম পার্সোনাল দরুল ইফতা-এর প্রধান মুফতি মৌলানা ইব্রাহিম হুসেন নোরা ফতেহির বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করে এক বিবৃতি দিয়েছেন।উত্তরপ্রদেশের ধর্মগুরু মৌলানা চৌধুরী ইব্রাহিম হোসেনের মন্তব্য,কন্নড় সিনেমার ওই বিতর্কিত গানটিতে অত্যন্ত কুরুচিকর ও অশ্লীল বিষয়বস্তু রয়েছে।আর এই ধরনের বিষয়বস্তু প্রদর্শন বা প্রচার হারাম এবং গুনাহ-এ-কবিরা অর্থাৎ গুরুতর অপরাধ। তাই ধর্মীয় নীতি বিসর্জন দিয়ে এধরণের অশ্লীলতাকে প্রশ্রয় দেওয়া আখেড়ে সমাজের জন্যই ক্ষতিকর। বিশেষ করে জনমানসে এর কুপ্রভাব পড়ে। বিতর্কে পড়ে নোরা জানিয়েছিলেন, তিনি এই গানটির শুটিং করেছিলেন তিন বছর আগে কন্নড় নামক একটি ভাষায়। যে সিনেইন্ডাস্ট্রিকে মূলত স্যান্ডালউড বলা হয়ে থাকে। নোরা কন্নড় ভাষা জানেন না।
নাচের কোরিওগ্রাফের সময় তাঁকে অনুবাদ করে যা শোনানো হয়েছিল,সেখানে গানের কথায় কোনও অশ্লীলতা ছিল না। সিনেমার টিম যা বুঝিয়েছিলেন, নোরা ফতেহি সেটাই অনুসরণ করেছিলেন মাত্র।









