
আবাসনের নিচে নার্সের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারে শোরগোল পড়েছে দুর্গাপুরে। পরিবারের দাবি পরিকল্পনা করে তাদের মেয়েকে খন করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে বুধবার রাতে কাঁকসার গোপালপুরের আবাসনের নিচে জঙ্গলের মধ্যে উদ্ধার হয় মন্দিরা পাল নামে এক নার্সের রক্তাক্ত দেহ। পুলিশের অনুমান বহুতল থেকে পড়ে মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে নার্সেস। মলানদিঘির বেসরকারি হাসাপাতালের নার্স ছিলেন মন্দিরা পাল। তাঁর বাড়ি বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর শহরে। মন্দিরা বেঙ্গালুরুর একটি কলেজ থেকে জিএনএম নার্সিং কোস করার পর বিষ্ণুপুরের একটি নার্সিংহোমে কাজে যোগ দেন। বছর খানেক আগে দুর্গাপুরের মলানদিঘি এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্সিং স্টাফ হিসেবে চাকরি পান। কয়েকজন সহকর্মীর সঙ্গে মলানদিঘির ওই আবাসনে থাকতেন বছর ২৪-র মন্দিরা। সরস্বতী পুজোতেও বাড়ি গিয়েছিল। বুধবারও পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা হয়। এরপর হাসপাতাল থেকে জানানো হয় মন্দিরা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এরপর দুর্গাপুর গিয়ে পরিবারের লোকজন জানতে পারে আবাসন থেকে পড়ে মৃত্যু হয়েছে মন্দিরার। পরিবারের দাবি তাদের মেয়ে আত্মহত্যা করতে পারে না। এর পিছনে ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। দোষীদের শাস্তির দাবি তুলেছে পরিবারের লোকজন। এদিকে সল্টলেকে বাড়ি থেকে বৃদ্ধের পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়েছে। সল্টলেকের জিডি ব্লকের বাড়ির দোতলায় বাথরুম থেকে উদ্ধার হয়েছে ৬৫ বছরের তাপস রায়ের দেহ। তাঁর মাথা ফাটা ছিল। স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর বাড়িতে একাই থাকতেন তাপস রায়। তাঁর মেয়ে দিল্লিতে থাকেন।
প্রতিবেশী এক ব্যক্তি বার বার ফোন করেও না পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। এরপরেই পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে বৃদ্ধের দেহ উদ্ধার করে।









