
বাংলাদেশে পয়লা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রা নাম বদলে ফেলা হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের আয়োজনে রাজধানী ঢাকায় বাংলা নববর্ষের যে শোভাযাত্রা বের হয়, তার নতুন নামকরণ হয়েছে,বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা।
অভিযোগ,সেই নতুন রীতিতে বৈশাখী অনুষ্ঠানে পুরোপুরি বাদ রাখা হয়েছিল বাংলাদেশের আমজনতাকে। সোমবার সকালে ঢাকায় চারুকলা অনুষদের ছাত্রছাত্রীদের আয়োজিত শোভাযাত্রা ঘিরে ফেলা হয়েছিল পুলিশি ব্যারিকেডে। সাধারণ মানুষজন সাজগোজ করে তাতে অংশ নেওয়ার জন্য এলেও তাঁদের যোগ দিতে দেওয়া হয় নি শোভাযাত্রায়। শুধু তাইই নয়, বৈশাখী অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার কাটআউট, উঠল হাসিনা-বিরোধী স্লোগান। বিশাল একটা কাটআউট, যাতে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখচ্ছবি। কিন্তু তা সাধারণ নয়, মুখোশে হাসিনাকে স্বৈরাচারী হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। স্লোগান উঠেছে,স্বৈরাচারের অবসান, ফ্যাসিবাদের অবসান। এদিকে অভিযোগ উঠেছে,পুলিশের উপস্থিতিতেই চট্টগ্রামে পয়লা বৈশাখ অনুষ্ঠানের মঞ্চে তাণ্ডব চালিয়েছে হাসিনা বিরোধীরা। মূল মঞ্চে হামলা চালিয়ে ব্যানার, ফেস্টুন সব ছিঁড়ে ফেলা হয় বলে অভিযোগ। যার জেরে স্থগিত হয়ে যায় উৎসব উদযাপন। এই ভাঙচুরের ঘটনায় নাম জড়িয়েছে বিএনপি সমর্থিত এক সংগঠনেরও।
উল্লেখ্য,চট্টগ্রামের ডিসি হিল এলাকায় সম্মিলিত পয়লা বৈশাখ উদযাপন পরিষদ নববর্ষ উদযাপনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। জানা গেছে,দু’দিন ধরে সেখানে সমস্ত আয়োজনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চলছিল।






