
মিমি চক্রবর্তীর কিছুদিন আগেই জুয়ার অ্যাপ, অর্থাৎ অনলাইন বেটিং অ্যাপ-কাণ্ডে ইডিতে ডাক পড়েছিল। তিনি ছাড়াও তলব করা হয়েছিল অঙ্কুশ হাজরা, বলিউড অভিনেত্রী উর্বশী রাউটেলাকেও।
দিল্লিতে ইডির সদর দপ্তরে হাজিরা দিয়ে এক সপ্তাহের মাথাতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি সচেতনতামূলক পোস্ট করতে দেখা গিয়েছে অভিনেত্রীকে।এক পোস্টে মিমি লিখেছেন , নমস্কার, আমি আজ আপনাদের কাছে একটি অনুরোধ করছি এবং এই বিষয় নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে আহ্বান জানাচ্ছি।ভারত সরকার সব ধরনের রিয়েল মানি গেমিং অ্যাপস ভারতে নিষিদ্ধ করছে। ভারত সরকার যে অ্যাপস নিষিদ্ধ করেছে, তার মধ্যে অনুমতিহীনভাবে পরিচালিত অবৈধ বেটিং সাইটগুলোও অন্তর্ভুক্ত। আমি সবাইকে অনুরোধ করব এমন অবৈধ অ্যাপ থেকে দূরে থাকুন, যা জুয়া এবং বেটিংয়ের মতো কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত।এরপর অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী আরো লিখেছেন,এই ধরনের অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে তথ্য চুরি, সাইবার হামলা এবং অন্যান্য সাইবার প্রতারণার শিকার হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।আমি কোনোভাবেই এমন কোনো ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত নই, যারা এই ধরনের কার্যকলাপকে প্রচার করে।শেষে মিমি চক্রবর্তী লিখেছেন,সোশ্যাল মিডিয়ায় বা অন্য কোনো মাধ্যম কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন বা প্রচারে যদি তাঁর নাম বা ছবি ব্যবহার করা হয়, তা সম্পূর্ণ অনুমতিহীন। অতএব, দয়া করে এই বার্তাটি ছড়িয়ে দিন এবং এই ধরনের অ্যাপ্লিকেশন থেকে নিজেই দূরে থাকুন এবং অন্যদের সচেতন করুন।
এদিকে অভিনেত্রীর এমন পোস্ট দেখে অনেকেই মনে করছেন ভবিষ্যতে যাতে কোনো সমস্যা না তৈরি হয় তার জন্য আগেভাগেই এই পোস্ট করলেন তিনি।যদিও শোনা গেছে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কর্মকর্তারা মিমিকে যে প্রশ্ন করেছেন তার যথাযথ উত্তর দিয়েছেন তিনি, যা শুনে সন্তুষ্ট হয়েছেন ইডি অফিসাররা।









