
১৪ বছরের ধর্ষিতা কিশোরীর ৩০ সপ্তাহে গর্ভপাতের অনুমতি দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ভারতীয় আইন অনুযায়ী, ২৪ সপ্তাহ পেরিয়ে গেলে আর গর্ভপাত করানো যায় না। সেই আইন মোতাবেক সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা কিশোরীর গর্ভপাতের আর্জি খারিজ করে দিয়েছিল বম্বে হাইকোর্ট।
নির্যাতিতার কোনও রকম শারীরিক পরীক্ষা ছাড়াই মেডিক্যাল বোর্ড নিজেদের মতামত জানিয়েছিল বম্বে হাইকোর্টকে। তার ভিত্তিতেই নাবালিকা ও তাঁর মায়ের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন নাবালিকা ও তার মা। শুক্রবার বেনজির ওই আবেদন শোনেন প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় ও বিচারপতি জে বি পর্দিওয়ালার বেঞ্চ। তাঁরা জানান, ধর্ষণের ফলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়া নাবালিকার শারীরিক ও মানসিক অবস্থার কথা উল্লেখ করা হয়নি মেডিক্যাল বোর্ডের রিপোর্টে। এরপরই নতুন করে চেকআপের জন্য নাবালিকাকে হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। অবশেষে সোমবার মেডিক্যাল রিপোর্ট জমা পড়ে সুপ্রিম কোর্টে। সেখানে বলা হয়, গর্ভপাতের অস্ত্রোপচার করাতে গেলে নাবালিকার জীবনের ঝুঁকি রয়েছে ঠিকই। কিন্তু সন্তানের জন্ম দিতে গেলে তার প্রাণের আশঙ্কা আরও অনেক বেশি। তাই গর্ভপাতের পক্ষেই সায় দেয় মেডিক্যাল বোর্ড। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ গর্ভপাতের অনুমতি দিয়েছে ওই কিশোরীকে।









