
একে অপরকে মারতে মারতে তৃণমূল শেষ হবে। ভাঙড় তৃণমূল নেতা খুনে এভাবেই আক্রমণ করেছেন। শুভেন্দু অধিকারী। খুনে কারা জড়িত তার উত্তর নওশাদ সিদ্দিকি এবং সওকত মোল্লাই দিতে পারবেন। যদিও তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল মানতে নারাজ মন্ত্রী শশী পাঁজাও।
তিনি বলেছেন যারা খুনের রাজনীতি করে তাদের বক্তব্যেই বারবার তা প্রকাশ পায়। বিজেপি নেতারা সবসময় মারধর, হিংসা ছড়ানোর কথা বলেন। তাই এসব কথা তাদের মুখে মানায় না। অন্যদিকে বামেদেরও আক্রমণ করেছেন শশী পাঁজা। তিনি বলেছেন বামেদের শাসনে ৩৪ বছরে রাজ্যের অবস্থা সবাই জানে। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মানতে নারাজ তৃণমূলের বহিষ্কৃত নেতা আরাবুল ইসলাম।
তিনি দলের বাইরে তাই ভাঙড়ে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জায়গা নেই। দাবি করেছেন আরাবুল ইসলাম। তাঁর কথায় যেই খুনের সঙ্গে জড়িত থাকুক না কেন তাদের গ্রেফতার করে উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে।






