গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

28 C
Kolkata
28 C
Kolkata
More
    Home Lifestyle পেটের মেদ কমাতে ভিটামিন

    পেটের মেদ কমাতে ভিটামিন

    0
    125
    ছবি সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল

    বর্তমান সময়ে লাইফস্টাইল, ফাস্টফুডের অভ্যাস ও দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করার ফলে পেটে মেদ জমা একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি শুধু দেখতে খারাপই লাগে না, বরং ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ ও স্থূলতার মতো নানা রোগের ঝুঁকিও বাড়ায়।

    এদিকে অনেকেই খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এনে কিংবা জিমে গিয়ে ঘাম ঝরিয়েও পেটের মেদ কমাতে পারেন না। এমন অবস্থায়, কিছু নির্দিষ্ট ভিটামিন আপনার শরীরকে ভেতর থেকে সাহায্য করতে পারে মেদ কমাতে। এখন প্রশ্ন হল, কোন কোন ভিটামিন পেটের চর্বি গলাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। প্রথমেই,ভিটামিন সি চর্বি গলানোর প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং বিপাক বাড়ায়। লেবু, কমলা, পেয়ারা, স্ট্রবেরি, এই ফলগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস হালকা গরম জলেতে এক টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খেলে হজমশক্তি বাড়ে, টক্সিন বের হয় এবং পেটের মেদ কমায়। সেইসঙ্গে,এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে। সুষম ডায়েট ও ব্যায়ামের সঙ্গে মিলিয়ে নিয়মিত ভিটামিন সি নিলে কয়েক সপ্তাহেই মেদের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। অন্যদিকে,ভিটামিন ডি সরাসরি চর্বি কমায় না, তবে এটি পেশি শক্তিশালী করে এবং চর্বি কোষ গঠনে নিয়ন্ত্রণ আনে। গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি আছে, তাদের মধ্যে পেটের মেদ বাড়ার প্রবণতা বেশি।পাশাপাশি প্রতিদিন সকালে ১৫–২০ মিনিট সূর্যের আলোয় সময় কাটান।এছাড়া, দুধ, ডিমের কুসুম, মাছ ইত্যাদি খাওয়ার মাধ্যমে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে ভিটামিন ডি পরিপূরক গ্রহণ করতে পারেন। এর বাইরে ভিটামিন বি-১২ বিপাক বাড়িয়ে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে এবং সারাদিন শরীরে শক্তি জোগায়। ডিম, মাছ, মাংস, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারে এটি পাওয়া যায়।সকালে খালি পেটে এক গ্লাস দুধে সামান্য মধু মিশিয়ে খাওয়া উপকারী হতে পারে। তবে শুধু ভিটামিন খেলেই মেদ কমে যাবে, এমন ভাবা ভুল। সুষম খাদ্য, পর্যাপ্ত জল, পর্যাপ্ত ঘুম ও নিয়মিত ব্যায়ামের সঙ্গেই এই ভিটামিনগুলো কাজ করবে।

    জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলা ও সক্রিয় জীবনযাপনই আসল চাবিকাঠি। ভিটামিন গ্রহণের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কারণ অতিরিক্ত মাত্রা শরীরের ক্ষতি করতে পারে।