
চিরাচরিত প্রথা মেনে ভোরবেলা থেকে মহানবমীর বিশেষ পুজোঅর্চনা শুরু বেলুড় মঠে। সকাল থেকেই বেলুড় মঠে অগণিত ভক্ত সমাগম। দুপুরে হয়েছে হোমযজ্ঞ। দেওয়া হয়েছে চালকুমড়ো, শসা, কলা-সহ ফল বলি। এরপর রীতি মেনে অঞ্জলি দেওয়া হয়েছে।
বিতরণ করা হয়েছে খিচুড়ি ভোগ। পুজোর ক’দিন সারাদিন খোলা রয়েছে বেলুড় মঠের দরজা। কথিত আছে দুর্গাপুজোর যেটি বহুল প্রচলিত রূপ- তা হল ষষ্ঠাদি কল্প। এই নিয়ম অনুযায়ী মহানবমীর পুজা অন্তিম পুজা। সংকল্পে মহানবমী যাবৎ এর সংকল্প গ্রহণ করা হয়।
চণ্ডিপাঠ, দুর্গানাম জপ মহানবমী অবধি অনুষ্ঠানের সংকল্প নেওয়া হয় বোধনের দিন। সেই মতো মহানবমীতে হোমের মাধ্যমে দেবীর সংকল্পিত মহাপুজার ইতি ঘটে। এরপর দশমী পুজা শুধুমাত্র দেবী বিদায়ের আচরিত সংক্ষিপ্ত পুজা।









