
গ্রামের যুবতীর সঙ্গে অশালীন আচরণ করার অভিযোগে তৃণমূল নেতার নির্দেশে সালিশি সভায় অভিযুক্ত যুবককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরে। এরপরই যুবককে উদ্ধারে গেলে পুলিশের ওপর হামলা উঠেছে তৃণমূল নেতা গ্রামের মাতব্বরদের বিরুদ্ধে।
এই ঘটনায় আক্রান্ত হয়েছেন দুই এএসআই-সহ পাঁচ পুলিশকর্মী। ভাঙচুর চালানো হয়েছে পুলিশের জিপ’ও। হেনস্থা করা হয়েছে আইসিকেও। ওই গ্রামের এক তরুণী মাঠে গরু বাঁধতে গেছিল। অভিযোগ সেই সময় স্থানীয় এক যুবক কাগজে লিখে তাকে ফোন নম্বর দিতে যায়। নিতে অস্বীকার করলে অশ্লীল ব্যবহার করে। তরুণী পরিবারকে জানানোর পর হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযুক্ত কে ধরতে গেলে পুলিশ জানতে পারে ইভটিজিংয়ের ঘটনা নিয়ে গ্ৰামে সালিশি সভা বসিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতা জিয়াউল হক। সেখানে অভিযুক্ত যুবককে মারধর করা হচ্ছিল। সেই খবর পেয়ে ছুটে যায় পুলিশ।
পুলিশ হস্তক্ষেপ করা পছন্দ হয়নি বিচার সভার মাতব্বরদের। ফলে পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে উদ্ধার করতে যেতেই মারমুখি হয় মাতব্বররা। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে বাড়তি পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান হরিশচন্দ্রপুর থানার আইসি মনোজিৎ সরকার। এই ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।









