
ছাপোষা মহিলাই কিনা ডাকাতদলের পাণ্ডা। হাওড়ার ডোমজুড়ে সোনার দোকানে ডাকাতির অভিযোগে বিহার থেকে আশা মাহাত ওরফে চাচিকে গ্রেফতার করে এমনটাই দাবি করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার এই চাচিকেই গ্রেফতার করে বিহার থেকে বাংলায় আনা হয়েছে। ১১ জুন ডোমজুড়ের একটি সোনার গয়নার দোকানে ৬ দুষ্কৃতী ঢুকে দোকানের মালিক ও কর্মচারীদের হাত-পা সেলোটেপ দিয়ে বেঁধে ফেলে। বন্দুকের বাঁট দিয়ে তাঁদের মাথায় মেরে প্রায় আধঘণ্টা অপারেশন চালানো হয়। ডাকাতির ঘটনার তদন্তে নেমে হাওড়ার সিটি পুলিশ বিহার যোগ জানতে পারে। এরপরেই বিহার থেকে চাচি ওরফে আশা দেবী, রবীন্দ্র সাহানি, বিকাশ কুমার ঝা, অলোক কুমার পাঠক এবং মণীশ কুমার মাহাতকে গ্রেফতার করে। তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে আশা দেবী আগে সুবোধ সিংয়ের গ্যাংয়ের সঙ্গে কাজ করত। পরে নিজের টিম তৈরি করেন সমস্তিপুরের বাসিন্দা চাচি। হাওড়া পুলিশ সুপার প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠি জানিয়েছেন ডাকাতির জন্য গাড়ি থেকে অস্ত্র সরবরাহ, দলের সদস্যদের জন্য ফ্ল্যাট বুক সবই করতেন এই চাচি। কোনও রাজ্যে ডাকাতি করতে গেলে ফ্ল্যাট বা হোটেলও ঠিক করতেন এই মহিলা। তবে আশা কোনও ক্রাইম সাইটে যেতেন না। তাই বিহার পুলিশের কাছে চাচা সম্পর্কে কোনও তথ্য নেই।









