
বাংলাদেশে এ বছর পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশ না খাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলন তিনি চৈত্র সংক্রান্তি পালনের সঙ্গে পহেলা বৈশাখে বাতাসা, দই, চিড়া, মিষ্টি, ছাতুর সরবত, ভাত, শাক, সবজি ইত্যাদি খাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, মানুষ পহেলা বৈশাখে ইলিশ খায় কেমন করে।এসময় তো ইলিশ পাওয়ার কথা নয়। পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশ বাংলাদেশের সংস্কৃতির অংশ নয়। এটি তিনি পরিষ্কার করতে চান। তাঁর কথায় পহেলা বৈশাখে যারা ইলিশ খাবেন, তারা জাটকা-ই খাবেন। একই সঙ্গে তারা আইন লঙ্ঘন করবেন।কাজেই বাজারে পাওয়াটাও আইনের লঙ্ঘন হয়। এই সময়ে জোরালোভাবে জাটকা সংরক্ষণ বিষয়ে সচেতন করার জন্য তাঁরা বলছেন। তিনি আরও বলেছেন, ১৪ এপ্রিল পান্তার সঙ্গে ইলিশ খাওয়া হয়, সেটা যেন না খাওয়া হয়, সেই অনুরোধ করবেন। কারণ এ সময় ইলিশ নয়, জাটকা খাওয়া হয়।সেই হিসেবে জাটকা সংরক্ষণ করে ইলিশে রূপান্তর করার আহ্বান জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে এ বছর পান্তা-ইলিশ না খাওয়ারও আহ্বান জানাচ্ছেন।অনুষ্ঠানে ফরিদা আখতার বলেছেন, যারা ঢাকায় থাকেন তারা পান্তা-ইলিশ চালু করেছেন। এটি আরোপিত সংস্কৃতি। বরং পহেলা বৈশাখের আগের দিন বাঙ্গালি সংস্কৃতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হলো চৈত্র সংক্রান্তি, সেখানে কোনো আমিষ খাওয়া হয় না। সেদিন ১৪ রকমের শাক খাওয়া হয়।
তাই আহ্বান চৈত্র সংক্রান্তি পালন করবেন। পহেলা বৈশাখে বাতাসা খান, দই, চিড়া, মিষ্টি, ছাতুর সরবত খান, ভাত, শাক, সবজি খান, ইলিশ বাদে অন্য মাছ খান।









