
বিজ্ঞাপন, অভিনয় করতে অনুমতি নিয়েছিলেন। গিজিটি হিসেবে ৮০ শতাংশ উপস্থিতি রয়েছে। আর জি করের মেডিক্যাল পিজিটি হিসেবে কত স্টাইপেন্ড পান।
আর জি কর আন্দোলনের অন্যতম মুখ চিকিৎসক কিঞ্জল নন্দ সম্পর্কে এরকমই তথ্য জানতে চেয়ে অধ্যক্ষকে চিঠি পাঠিয়েছে রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল। কিজল নন্দকে নিয়ে তথ্য জানতে চেয়ে নবান্ন এবং স্বাস্থ্য সচিবকেও ইমেল পাঠানো হয়েছে কাউন্সিলের তরফে। আর জি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ খুনের ঘটনার পর থেকেই যারা আন্দোলনে প্রথম সারিতে ছিলেন তাদের মধ্যে একজন জুনিয়র চিকিৎসক আসফাকুল্লা নাইয়ার ডিগ্রি ব্যবহার নিয়ে ইলেকট্রনিক্স থানায় তলব করা হয়। এমএস কোর্স শেষের আগেই সেই ডিগ্রি ব্যবহার করার অভিযোগ এনে তাঁর কাকদ্বীপের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আসফাকুল্লা। সেই মামলার শুনানিতে আপাতত ৬ সপ্তাহের স্থগিতাদেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তারমধ্যেই এবার আরেক চিকিৎসক কিঞ্জল নন্দ সম্পর্কে তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। এগিরে সোমবার হাইকোর্টে শুনানির আগে আর জি করকাণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের আইনজীবী বদলালো।
রাজ্য এবং সিবিআইয়ের জোড়া আবেদনের শুনানির আগে দায়িত্ব নিয়েই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেছেন সঞ্জয় রায়ের নতুন আইনজীবী যশ জালান। তাঁর বক্তব্য লিগাল এইড সার্ভিস সত্য সামনে আসতেই দেননি রাজ্য সরকার ও কলকাতার তৎকালীন সিপি।






