
সম্প্রতি ঘটনার প্রেক্ষিতে কলকাতাস্থ উপ-রাষ্ট্রদূত এবং আগরতলার সহকারী উপ-রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়েছে ঢাকা। অন্যদিকে, স্ত্রীর শাড়ি পুড়িয়ে ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ ঐক্যজোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ বহ্মচারীর গ্রেফতারির প্রতিবাদে উত্তাল বাংলাদেশ। একই সঙ্গে ভারতের সঙ্গেও সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। এই আবহে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে স্ত্রীর একটি ভারতীয় শাড়ি আগুনে পরিয়ে দিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব। এরপরে তিনি বলেছেন, ভারতীয়রা বাংলাদেশের পতাকাকে অসম্মান করেছে, তাই তাদের পণ্য বয়কট করবেন তাঁরা। তবে ভারতীয়রা অসম্মান করলেও বাংলাদেশ তাদের স্বাধীনতা ও পতাকার প্রতি সম্মান দেখাবে।যতোবে বাংলাদেশে ভারতের পণ্য আমদানি বন্ধ হলে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁরা টাঙ্গাইলের শাড়ি ব্যবহার করবেন, কুমিল্লার খাদি ব্যবহার করবেন। কিন্তু ভারতের শাড়ি কিনবেন না। অন্যদিকে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রফিকুল আলম বলেছেন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরানোর উদ্যোগের বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রক একমাত্র মন্ত্রক নয়। অন্যান্য মন্ত্রকও এক্ষেত্রে জড়িত।
তাদের রোল প্লে করার সময় এখনও আসেনি। রোল প্লে করার সময় যখন আসবে, তখন বিদেশমন্ত্রক করবে।









