
কঙ্কালকাণ্ডে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ওড়িশার রাজ্য রাজনীতি। এবার তদন্তে মিলল ব্যাঙ্কের গাফিলতি। ইতিমধ্যেই কংগ্রেস এবং বিরোধী বিজেডি দলের প্রতিনিধিরা দেওয়ানালি গ্রামে গিয়ে জিতুর সঙ্গে দেখা করে এসেছেন।
প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও তুলেছেন তাঁরা। অন্য দিকে, জিতুকে আর্থিক সাহায্য পাঠিয়ে রাজ্য সরকার। বোনের সঞ্চিত ১৯৩০০ টাকাও তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি ইতিমধ্যে কেওনঝড়ের ওই ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর দফতর জানিয়েছিল, রাজস্ব দফতরের বিভাগীয় কমিশনারকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব তাঁকে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়। ওড়িশার কেওনঝড়ের ঘটনায় ইতিমধ্যেই ব্যাঙ্কের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, গত সোমবার ৩২ মিনিট ওই ব্যাঙ্কটিতে ছিলেন প্রৌঢ় জিতু মুন্ডা।
ব্যাঙ্কের ম্যানেজার এবং অন্য কর্মীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টাও করেন তিনি। রাজস্ব দফতরের বিভাগীয় কমিশনার সংগ্রাম কেশরী মহাপাত্র বলেছেন , সিসি ক্যামেরার ফুটেজগুলিতে কোনো অডিও নেই , ফলে তিনি ব্যাঙ্ক কর্মীদের সঙ্গে কি কথা বলছেন তা এখনো স্পষ্ট নয়। ব্যাঙ্কের আধিকারিকদের সঙ্গে এবং জিতু মুন্ডার সঙ্গে কথা বলার পর প্রাথমিক ভাবে দেখা যাচ্ছে, ব্যাঙ্কেরই গাফিলতি ছিল। জিতু এবং তাঁর বোন অতীতেও বেশ কয়েকবার ব্যাঙ্কে গিয়ে টাকা তুলেছিলেন। মুন্ডা নিরক্ষর নন, কিন্তু তিনি ব্যাঙ্কিং পদ্ধতি সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানেন না।









