
উদ্যোক্তা, মন্ত্রীদের ঘেরাটোপে লিওনেল মেসি। চড়া দামে টিকিট কেটে মেসিকে দেখতে না পেয়ে ক্ষোভের বিস্ফোরণ হল যুবভারতীতে।
গ্যালারির চেয়ার ভেঙে মাঠে ছুড়তে থাকেন দর্শকরা। মাঠজুড়ে শুরু হয় বোতলবৃষ্টি। মাঠের ফেন্সিংয়ের গেট ভেঙে কয়েকশো লোক মাঠে ঢুকে পড়ে। দর্শকদের সামলাতে লাঠি নিয়ে তাড়া করে পুলিশ। শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় যুবভারতীতে ঢোকে ফর্স্টবলের রাজপুত্র। তাঁর সঙ্গে ছিলেন লুইস সুয়ারেজ এবং রদ্রিগো ডি’পল। ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা দেখে উচ্ছ্বসিত দেখায় মেসিকে। তবে গাড়ি থেকে নামার পরেই বেশ কিছু মানুষ ঘিরে ধরেন তাঁকে। মন্ত্রী কর্তারা ঘিরে রাখেন তাঁকে। সেলফি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। গ্যালারি থেকে প্রায় ২০ মিনিট কার্যত মেসিকে দেখাই যাইনি। এক সময় ক্ষুব্ধ ফুটবলপ্রেমীরা উই ওয়ান্ট মেসি স্লোগান দিতে থাকেন। গ্যালারি থেকে মেসিকে দেখাই যাচ্ছিল না। এত টাকার টিকিট কেটে মেসিকে দেখতে যাওয়া ফুটবলপ্রেমীদের ভরসা ছিল স্টেডিয়ামের তিনটি জায়ান্ট স্ক্রিন। মোহনবাগান এবং ডায়মণ্ড হারবারের প্রাক্তন ফুটবলারদের সঙ্গে মেসি পরিচিত হওয়ার সময়ও ভিড় ঘিরে ছিল তাঁকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, আয়োজক শতদ্রু দত্তকে মাইক্রোফোনে ঘোষণা করতে হয়। তাতেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। গ্যালারি থেকে একবারও দেখা যায়নি মেসিকে। ১১টা ৫২ মিনিটে মেসিকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়। বিক্ষোভের জন্য মাঠে পৌঁছননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শাহরুখ খান, সৌরভগঙ্গোপাধ্যায়। লিওনেল মেসি মাঠ ছাড়তেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শুরু হয় গ্যালারিতে হোর্ডিং ভাঙচুর।
মাঠে উড়ে আসতে থাকে চেয়ার, বোতল। মেসিকে দেখতে না পেয়ে একরাশ হতাশা নিয়ে ফিরে যেতে থাকেন দর্শকরা।






