
ধৃতদের অপরাধ প্রমাণ হবেই বলে আশ্বস্ত করেছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা। লালবাজারে বৈঠক করে বেরিয়ে এসে এমনটাই জানিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার।
কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর কথায়, তিনি পুলিশ কমিশনারকে বলেছেন, কলকাতার কলেজগুলো সিপি-র তত্ত্বাবধানে থাকা এলাকার মধ্যে পড়ছে। এই কলেজগুলোয় বহিরাগতদের গতিবিধি রোখা তাঁর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিজেপি নেতারা কসবার আইন কলেজে যান। সেখানে প্রবেশের আগে অবশ্য প্রথমে তাঁদের পুলিশি বাধার মুখে পড়তে হয়। কলেজের সামনে বিজেপির যুব সংগঠনের কর্মীদের জমায়েত ছিল। জমায়েত ছিল বেশ কয়েকটি বামপন্থী সংগঠনের কর্মীদেরও। কলেজের প্রবেশপথে পুলিশের বড়সড় বাহিনী মোতায়েন রাখা হয়েছিল। গার্ডরেল দিয়ে প্রবেশপথ ঘিরেও রাখা হয়েছিল। সে সবের মাঝেই সেখানে পৌঁছোন সুকান্ত এবং তথ্যানুসন্ধানী দলের সদস্যরা। মিনিট ১৫ তাঁদের সঙ্গে পুলিশ আধিকারিকদের বচসা চলে। তার পরে বিজেপি নেতৃত্ব-সহ দলের সদস্যদের ভিতরে ঢুকতে দেওয়া হয়। তৎক্ষণাৎ বাইরে উত্তেজনা বেড়ে যায়। বামপন্থী সংগঠনগুলির তরফে বিজেপি নেতৃত্বকে ভিতরে ঢুকতে দেওয়ার বিরোধিতা করা শুরু হয়। বিজেপি কর্মী সমর্থকরা পাল্টা বিরোধিতা শুরু করেন। দু’পক্ষে হাতাহাতি-ধস্তাধস্তিও শুরু হয়ে যায়। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
রাত দখল মঞ্চ’র কয়েকজন পোস্টার ও ব্যানার নিয়ে কলেজের পাশে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। তাঁদের দাবি ছিল, বিজেপির নৈতিক অধিকার নেই ধর্ষণের প্রতিবাদ করার।






