
প্রথমবারের মতো চাঁদের মাটিতে নামলো ইউরোপের তৈরি রোভার। চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করলো এটি। সঙ্গে নিয়ে গিয়েছে ছোট লাল ঘর ও মাটি তোলার যন্ত্র।জানুয়ারিতে স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ রকেট থেকে রেজিলিয়েন্স নামের এক মহাকাশযানে রোভারটি উৎক্ষেপিত হয়ে ৬ মে চাঁদের কক্ষপথে পৌঁছায়। বেশ কিছু অদ্ভুত জিনিসপত্র নিয়ে চাঁদে পৌঁছেছে রোভারটি।
এটির নাম ,টেনেশাস। এটি কেবল সাড়ে ৩১ সেন্টিমিটার চওড়া ও ৫৪ সেন্টিমিটার উচ্চতার এবং এর ওজন ৫ কেজি, যা একটি খালি স্যুটকেসের আকার ও ওজনের কাছাকাছি।বিশ্বের অন্যতম ছোট ও হালকা রোভার এটি, যেটি তৈরি করেছে জাপানের চাঁদ গবেষণা কোম্পানি আইস্পেস-এর ইউরোপীয় শাখা। এটি নিয়ন্ত্রণ করবে লুক্সেমবার্গে থাকা কর্মীরা,যারা রোভারটির সামনের প্যানেলে বসানো একটি ভিডিও ক্যামেরা ব্যবহার করে প্রায় রিয়েল টাইমে ঘণ্টায় চার ইঞ্চি গতিতে চালাতে পারবে।অন্যদিকে,রোভারটিতে থাকা ছোট লাল ঘরটি ডিজাইন করেছেন সুইডিশ শিল্পী মিকালো জেনবার্গ, যেটি চাঁদের পৃষ্ঠে থাকবে ছবি তোলার জন্য। বলা হচ্ছে,এটি নতুন সম্ভাবনার শৈল্পিক ও মহাকাব্যিক গল্প উপস্থাপন করবে।রোভারের সঙ্গে একটি মাটি তোলার যন্ত্রও রয়েছে, যা চাঁদের ধুলো বালি সংগ্রহ করবে।
এসব ধুলো আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসাকে ৫ হাজার ডলারে বিক্রি করবে তারা, যা হবে প্রথমবারের মতো পৃথিবীর বাইরে থেকে আনা কোনো সম্পদ বিক্রির ঘটনা।এর বাইরে ল্যান্ডারে আরও রয়েছে একটি ওয়াটার ইলেকট্রোলাইজার, খাবার পরীক্ষার জন্য একটি মডিউল, গভীর মহাকাশের বিকিরণ পরিমাপের যন্ত্র ও একটি স্মরণিকা প্লেট।









