
মুম্বই ধারাবাহিক বিস্ফোরণের মাস্টারমাইন্ড দাউদ ইব্রাহিমের ভয়ে দেশ ছেড়েছেন প্রাক্তন আইপিএল কমিশনার ললিত মোদী। ২০১০ সালে ভারত ত্যাগ করার পেছনে যে আর্থিক তছরুপ মামলার অভিযোগ ছিল, তা তিনি অস্বীকার করেছেন। বরং, তাঁর মতে, দাউদের হুমকি ছিল মূল কারণ। আসুন জানি এই ঘটনার পেছনের কাহিনী এবং এর প্রভাব সম্পর্কে।
২০১০ সালে যখন ললিত মোদী ভারত ছেড়ে চলে যান, তখন অনেকেই মনে করেছিলেন এটি একটি আইনি জটিলতার ফলস্বরূপ। কিন্তু সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন যে তাঁর দেশ ছাড়ার পিছনে আসলে দাউদ ইব্রাহিমের ভয় কাজ করেছিল। ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সঙ্গে যুক্ত না হওয়ার কারণে তাঁকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তরফ থেকে তাঁকে সতর্ক করা হয়েছিল যে তিনি দাউদের হিটলিস্টে রয়েছেন এবং মাত্র ১২ ঘণ্টা নিরাপত্তা পাবেন।
এমন অবস্থায় ললিত মোদীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীরা বিমানবন্দরের ভিআইপি এক্সিট ব্যবহার করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন যাতে দ্রুত পালাতে পারেন তিনি। ডিসিপি হিমাংশু রায়ও বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁকে পরামর্শ দেন যে ভারত ছেড়ে যাওয়া তাঁর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ হবে। এই ঘটনা শুধু একজন ব্যক্তির জীবন নয়, বরং দেশের আইনশৃঙ্খলার ওপরও প্রশ্ন তুলে দেয় যা আমাদের ভাবতে বাধ্য করে—এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের কী হবে?
এই ঘটনার পর থেকে ললিত মোদি কোথায় আছেন বা কী করছেন তা নিয়ে নানা গুঞ্জন রয়েছে তবে তাঁর বক্তব্য স্পষ্ট—তিনি কখনোই দাউদের কাছে মাথা নত করেননি এবং নিজের জীবন বাঁচাতে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিদেশে চলে যাওয়ার জন্য। এটি একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে যেখানে অপরাধীদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে থাকার সাহস দেখানো হয়, যদিও এর মূল্য চোকাতে হয় অনেক সময়েই!








