
স্কুল অফ ট্রপিক্যালের বিভাগীয় প্রধানের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং বদলি করে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অভিনেতা বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিকের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে দিদা শাশুড়ির চিকিৎসা করাতে স্কুল অফ ট্রপিকালে গিয়েছিলেন সস্ত্রীক কাঞ্চন মল্লিক।
আউটডোরে ভিড় চিকিৎসকরা অপেক্ষা করতে বলেন। কিন্তু তিনি সবাইকে ছেড়ে আগে তাঁর পেসেন্টকে দেখার জন্য ডাক্তারকে চাপ দিতে থাকেন। অভিযোগ এরপরেই মেজাজ হারান তিনি। স্কুল অফ ট্রপিকাল মেডিসিনের বিভাগীয় প্রধান মেহব্বার রহমানের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন অভিযোগ। এমনকি তাঁকে বদলি করে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন বলে অভিযোগ। বিধায়কের আচরণের প্রতিবাদ করেছেন অন্য রোগীর পরিজনরাও। স্কুল অফ ট্রপিকালের বিভাগীয় প্রধান হায়ার অথরিটিকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। স্কুল অফ ট্রপিকালের ডিরেক্টর শুভাশিস কমল গুহ জানিয়েছেন বিভাগীয় প্রধানের লিখিত অভিযোগ স্বাস্থ্য দফতরে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি কানে পৌঁছতে নিন্দা করেছেন মন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি বলেছেন খুবই দূর্ভাগ্যজনক ঘটনা। বিভাগীয় প্রধানের সঙ্গে একজন জনপ্রতিনিধির এমন আচরণ কাম্য নয়।
যদিও কাঞ্চনের দাবি দিদাশাশুড়ির ব্লাডপ্রেসার মাপার কথা বলেছিলেন। তাতেই রূঢ় জবাব দেন চিকিৎসক। যে হাসপাতালের চিকিৎসকরাই শ্রীময়ীর দিদাকে সারিয়ে তুলেছিলেন, সেখানে চিকিৎসকের থেকে এমন ব্যবহার আশাতীত।






