
পশ্চিমবঙ্গে বাম ও রামের যে হতাশা তৈরি হচ্ছে তা আটলান্টিক মহাসাগর পেরিয়ে গোটা মহাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। লন্ডনে কেলগ কলেজে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়-র বক্তৃতার সময়ে এসএফআই-র বিক্ষোভ প্রসঙ্গে এমনই মন্তব্য করেছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
তাঁর কথায়, এই হতাশা তাদের আরও বাড়বে কারণ ২০২৬-র বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর মমতা বন্দোপাধ্যায়ের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে চতুর্থবারের জন্য শপথ নেওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। একইভাবে এই সরব হয়েছে তৃণমূলের বিধায়ক থেকে সাংসদরা। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এক্স পোস্টে লেখা হয়েছে, চিত্ত যেথা ভয় শূন্য, উচ্চ যেথা শির সে নড়বে না। সে নড়বড়ে হয় না। আপনি যত বেশি হেনস্থা করবেন, সে তত বেশি গর্জন করবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনদ্যিকে, রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা এক্স পোস্টে লিখেছেন, লন্ডনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের-র বক্তৃতার সময়ে হাজারো চেঁচামেচি অপমানে অবিচল ছিলেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গের অগ্রগতির দিকে আলোচনার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, নিশ্চিত করেছিলেন যে মনোযোগ উন্নয়নের উপর ছিল, ব্যাঘাতের উপর নয়। অন্যদিকে, তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ এক্স পোস্টে লিখেছেন, একজন সত্যিকারের গণতন্ত্রী মুক্তভাবে মত বিনিময়ের সুযোগ করে দেন। তারজন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় খোলাখুলিভাবে শিক্ষার্থীদের কথা শুনে এবং তাদের সাথে জড়িত হয়ে, এ হৃদয় ও মন জয় করেন। কোনও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট নয়, কেবল গণতান্ত্রিক সংলাপ: একজন সত্যিকারের গণনেতার চিহ্ন।
একইভাবে তৃণমূলের লোকসভার সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এক্স পোস্টে লিখেছেন, শব্দ উচ্চ হতে পারে, কিন্তু ইতিহাস সারবত্তা মনে রাখে। তাই লন্ডনে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তৃতা মানুষ স্মরণে রাখবে, বিক্ষোভ নয়।









