
ভারতে নির্বাসিত তিব্বতের আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামা তার উত্তরসূরি নির্ধারণে শুধুমাত্র তারই প্রতিষ্ঠিত গাহদেন ফোড্রাং ট্রাস্ট-র সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
দালাই লামা বলেছেন, তার অনুপস্থিতিতে পরবর্তী দালাই লামাকে নির্বাচন করা হবে তিব্বতীয় বৌদ্ধ ঐতিহ্য ও নিয়মনীতি অনুযায়ী। এদিকে দালাই লামার ঘোষণার পরপরই চিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্তকে তারা অবৈধ ও গ্রহণযোগ্য নয় বলে মনে করে। বেইজিংয়ের দাবি অনুযায়ী, পরবর্তী দালাই লামা নির্ধারণে চিনা সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন। এই প্রক্রিয়া চিনের আইন, ধর্মীয় রীতিনীতি ও ঐতিহাসিক রীতিনীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। চিন আরো দাবি করে, লট ড্রয়িং পদ্ধতির মাধ্যমে স্বর্ণের পাত্র থেকে নাম বেছে নিয়েই দালাই লামা নির্বাচন করা উচিত —একটি পদ্ধতি চালু হয়েছিল ১৭৯২ সালে।
যদিও এই পদ্ধতি বর্তমান দালাই লামার ক্ষেত্রে প্রয়োগ হয়নি। দালাই লামার ঘোষণার আগে উত্তর ভারতের ধর্মশালায় অনুষ্ঠিত হয় তিন দিনব্যাপী ১৫তম তিব্বতিয় ধর্মীয় সম্মেলন। এতে অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো তিব্বতি ধর্মানুসারী জড়ো হন।







