
২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে বেহালা পশ্চিম কলকাতায়।
বেহালা পশ্চিমের ১২৯ নম্বর ওয়ার্ডের রবীন্দ্রনগর রামকৃষ্ণ পল্লিতে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলার অভিযোগ উঠেছে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ১২৯ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর তথা রাজ্য তৃণমূলের সাংগঠনিক সম্পাদক অঞ্জন দাস-সহ মোট পাঁচজন জখম হয়েছেন। অঞ্জন দাসের মাথা ফেটেছে বলে দলীয় সূত্রে খবর। তৃণমূলের অভিযোগ, ভোট মিটে যাওয়ার পর কর্মীরা যখন দলীয় কার্যালয়ে বসে ছিলেন, তখন হঠাৎই একদল বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতী ইট ও বাঁশ নিয়ে তাঁদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই শুরু হয় ব্যাপক ইটবৃষ্টি। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অঞ্জন দাস সেখানে পৌঁছলে তাঁকেও রেয়াত করা হয়নি। উল্টে তাঁকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয় এবং লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। আহত অঞ্জন দাস ও আরও চারজন কর্মীকে উদ্ধার করে দ্রুত বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, একজনের আঘাত অত্যন্ত গুরুতর হওয়ায় তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে কারও হাত ভেঙেছে, কারও মাথায় একাধিক সেলাই পড়েছে। কারও মুখেও চোট রয়েছে। রুখে দাঁড়ালেন রত্না চট্টোপাধ্যায়। খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছন বেহালা পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায়।
এদিকে, গোটা ঘটনার দায় নিতে অস্বীকার করেছে বিজেপি। তাদের পাল্টা দাবি, তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর বেহালা এখন থমথমে।








