
আর জি করে চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনে আমৃত্যু কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছে কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে। শিয়ালদহে আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক অনির্বাণ দাস সঞ্জয় রায়কে জানিয়েছেন তাঁর অপরাধের জন্য তাঁকে সারাজীবন জেলেই থাকতে হবে।
তবে তিনি মনে করেন না এই ঘটনা বিরলের মধ্যে বিরলতম। আদালতে আর জি করকাণ্ডের ঘটনা বিরলের মধ্যে বিরলতম বলে দাবি করেছিল সিবিআই। নির্যাতিতা চিকিৎসক ডিউটিতে ছিলেন তিনি শুধু রোজগার করতেই যাননি মানুষকে সাহায্য করতে গিয়েছিলেন বলে আদালতে জানায় সিবিআইয়ের আইনজীবী। নির্যাতিতার পরিবারেরও তাই দাবি ছিল। পাল্টা কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টের কয়েকটি মামলার কথা উল্লেখ করে বিরলের মধ্যে বিরলতম অপরাধ সম্পর্কে বলেন। এরপরেই বিচারক অনির্বাণ দাস জানিয়েছেন পুরো বিচারপ্রক্রিয়া দেখে তিনি মনে করেন না এই ঘটনা বিরলের মধ্যে বিরলতম। সঞ্জয় রায়কে আজীবন জেলেই থাকতে হবে, জানিয়ে দেন তিনি। যেহেতু সরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্তব্যরত অবস্থায় ধর্ষণ এবং খুন করা হয়েছে। তাই ১৭ লাখ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক অনির্বাণ দাস। যদিও নির্যাতিতার বাবা-মা এজলাসেই জানিয়েছেন তাঁরা মেয়ের বিচার চান, ক্ষতিপূরণ নয়। সাজা শুনে কাঁদো কাঁদো দেখা গিয়েছে দোষী সঞ্জয় রায়কে। বিড়বিড় করে কিছু বলতেও দেখা যায় তাঁকে। শনিবারই ১২ মিনিটের শুনানিতে সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন বিচারক। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৪, ৬৬ এবং ১০৩-র ১ এই তিন ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয়কে। জরিমানা করা হয় ৫০ হাজার টাকা।
এছাড়া ধর্ষণের জন্য ৭ লাখ এবং হত্যার জন্য ১০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন। বিচারক বলেন রাষ্ট্রের দায়িত্ব নির্যাতিতার পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার।






