
বলিউডে ষাটোর্ধ্ব সুপারস্টার-এর তালিকায় অনিল কাপুরের নাম নিঃসন্দেহে শীর্ষে। মিস্টার ইন্ডিয়া’র কাছে বয়স যেন সংখ্যা মাত্র।
৬৭ বছর বয়সেও যে কেউ এতটা ফিট হতে পারেন, সেটা অনিলকে না দেখলে বিশ্বাস করা দায়। নিয়মমাফিক শরীরচর্চা, যথাযথ ডায়েটে এই বয়সেও গ্ল্যামার যেন ঠিকরে পড়ছে। চাইলে বর্তমান প্রজন্মের তারকাদেরও ফিটনেসে টেক্কা দিতে পারেন। বি-টাউনের সেই চিরতরুণ অভিনেতাই নাকি সেটে কলকাতার শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়কে তাঁর শারীরিক গড়ন এবং খাদ্যাভ্যাস নিয়ে খোঁটা দিতেন।জানা যাচ্ছে নাইট ম্যানেজার সিরিজে অনিল কাপুরের ঘনিষ্ঠ বন্ধুর ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়কে।সেখানেই বঙ্গসন্তানের পারফরম্যান্স দেখে বড় সার্টিফিকেটও দিয়েছিলেন মন্ত্রমুগ্ধ অনিল কাপুর।বলেছিলেন, এই সিরিজে কলকাতার শাশ্বত তাঁর থেকেও ভালো অভিনয় করেছেন। আর সেই সিরিজে কাজ করার সময়েই শাশ্বতর শরীরী গড়ন নিয়ে বারংবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বলিউড অভিনেতা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় সেপ্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন,এর মধ্যে অনিল কাপুরের সঙ্গে অনেকদিন ধরে অভিনয় করলেন। খাওয়াদাওয়া আর তাঁর চেহারা নিয়ে ভদ্রলোক নিয়মিত খোঁটা দিতেন। যদিও শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় একবাক্যে স্বীকার করে নিয়েছেন যে, অনিল কাপুর ইতিবাচকভাবেই সেসব পরামর্শ দিতেন। শাশ্বত বলেছেন, ভালোর জন্যই বলতেন। উদাহরণ দিতেন,ওই হিরোটিকে দেখো, তোমারই মতো বয়স হয়তো ওর,কিন্তু সে সিক্স প্যাক নিয়ে ঘুরছে। আর শাশ্বত ফ্যামিলি প্যাক নিয়ে ঘুরছেন। শুধু তাই নয়, শাশ্বতকে অনুপ্রেরণা জোগানোর জন্য অনিল কাপুর এও বলতেন যে, শাশ্বত-র মধ্যে পসিবিলিটিজ রয়েছে। তার পর থেকেই নাকি ডায়েট চার্টে বদল এনেছেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। মেপেঝুপে খান।অভিনেতা জানিয়েছেন, তিনি যখন সকালে কফি নিয়ে বের হতেন, তখন অনিল কাপুরকে দেখতেন উনি জিম থেকে শরীরচর্চা করে বেরচ্ছেন।
৬৭ বছরের তারকার মধ্যে অনুপ্রেরণা খুঁজে পেয়ে তাই বর্তমানে খাওয়াদাওয়ায় রাশ টেনেছেন শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়। বাংলা সিনেইন্ডাস্ট্রির গণ্ডি পেরিয়ে কল্কি ২৮৯৮ এডি সিনেমায় কমান্ডার মানস-এর চরিত্রে অভিনয় করার পর থেকে জাতীয়স্তরেও অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়-র ফ্যান ফলোয়ার সংখ্যাও বেড়েছে।









