
সিভিক ভলান্টিয়ারকে মারধর করে পায়ে এবং কোমরে দড়ি বেঁধে কান ধরে ওঠবোস করানোর ভিডিও ভাইরাল হতেই মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ২ তৃণমূল কর্মীকে।
আমতার পেঁড়ো থানার ওসিকে ক্লোজ করা হয়েছে। হাওড়া গ্রামীণ পুলিশ সুপার সুবিমল পাল জানিয়েছেন কর্তব্যে গাফিলতির জন্য এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে বুধবার আমতার পেড়ো থানার বসন্তপুর বাজার এলাকায় সিভিক ভলান্টিয়ার বছর ৩০-র শ্রীধর চক্রবর্তীকে হাতে-পায়ে, কোমরে দড়ি বেঁধে কানধরে ওঠবোস করানো হয়েছিল। সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। যার সত্যতা যাচাই করেনি এস নিউজ। ভিডিওয় শোনা যায় কয়েকজন ওই সিভিককে জোর করছেন একজন বিজেপি নেতার নাম বলতে। যেন স্বীকার করে নেন ওই ব্যক্তির উস্কানিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্কে খারাপ কথা বলেছিলেন। এরপরেই পদক্ষেপ করে হাওড়া জেলা পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পাসাপাশি ঘটনার প্রেক্ষিতে আমতার পেঁড়ো থানার ওসিকে ক্লোজ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ওই সিভিকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ সুপার। ভিডিও ভাইরাল হতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। হাওড়া গ্রামীণ জেলার বিজেপির সহ সভাপতি রমেশ সাধুখাঁ বলেছেন শ্রীধরকে মারধর করা হয়েছে বিজেপিকে কালিমালিপ্ত করার জন্য। যদিও অভিযোগ মানতে নারাজ তৃণমূল।
বসন্তপুর অঞ্চল সভাপতি সানাউল্লা হাসান জানিয়েছেন ওই সিভিক ভলান্টিয়ার মদ্যপ অবস্থায় গালিগালাজ করছিল, তাই মারধর করা হয়েছে। এর সঙ্গে রাজনীতির যোগ নেই।






