
বাঁশদ্রোণীতে ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় অবশেষে ঘাতক পে লোডারের চালককে আটক করেছে পুলিশ। এরপরই থানায় নিয়ে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
বুধবার পেরিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল গড়িয়ে গেলেও তবু বাঁশদ্রোণীতে নিজের এলাকায় দেখা গেল না তৃণমূল কাউন্সিলর অনিতা কর মজুমদারকে। বুধবার সারা দিন তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সন্ধ্যার পর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কাউন্সিলর বৃহস্পতিবারও এলাকায় যাননি। কাউন্সিলরের দফতর সূত্রে খবর, তিনি এলাকার খোঁজ রাখছেন। তবে এখনও অন্তরালেই রয়েছেন। এলাকায় সাধারণ মানুষের সামনে এখনই তিনি আসতে চাইছেন না। বাঁশদ্রোণীর যে এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে, তা কলকাতা পুরসভার ১১৩ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। অভিযোগ, দীর্ঘ দিন ধরে ওই এলাকায় রাস্তা বেহাল। সেখানে খোঁড়াখুঁড়ির কাজও চলছে অনেক দিন ধরে। তার ফলেই বুধবারের দুর্ঘটনা বলে দাবি বাসিন্দাদের। যে ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে, তার পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। সূত্রের খবর, যে সংস্থার জেসিবিতে এই দুর্ঘটনা, তারা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং আর্থিক সাহায্যের ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের তরফেও আর্থিক সাহায্য করা হতে পারে মৃতের পরিবারকে। তবে আপাতত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার দিকেই নজর রয়েছে প্রশাসনের। ক্ষোভ প্রশমিত হলে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হতে পারে।









