
চোর সন্দেহে থানায় তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর, জামিন পাওয়ার পর যুবকের মৃত্যুর অভিযোগ ঘিরে স্থানীয়দের বিক্ষোভে রণক্ষেত্র দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঢোলাহাট থানা।
পরিবারের অভিযোগ মুখ বন্ধ করতে ৫০ হাজার টাকা দিতে চেয়েছিল পুলিশ। পুলিশের অত্যাচারের অভিযোগে থানার সামনে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখায় স্থানীয়রা। বিক্ষোভ আটকাতে থানার সামনে ব্যারিকেড দিয়েছিল পুলিশ। ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করতেই ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। জুতো হাতে পুলিশকে হুমকি দিতে থাকেন মহিলারা। পুলিশকে লক্ষ্য ইট ছুড়তে থাকেন স্থানীয়রা। পাল্টা লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ কাকার বাড়িতে চুরির অভিযোগে ভাইপো আবু সিদ্দিককে ১ লা জুলায় গানায় তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। ৪ঠা জুলায় আদালতে পেশ করা হয় আবুকে। আদালতে জামিন পাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়ে আবু। এরপর আবু সিদ্দিকে নিয়ে মথুরাপুর, ডায়মণ্ডহারবার এবং পরে চিত্তরঞ্জন একের পর এক হাসপাতালে ঘুরতে হয় পরিবারকে। পরে পার্কসার্কাসের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। সেখানেই মৃত্যু হয় আবুর। হাসপাতাল সূত্রে খবর আবু সিদ্দিকিকে খুবই সিরিয়াস অবস্থায় ভর্তি করা হয়েছিল। রক্তবমিও করছিল। এছাড়াও শ্বাসকষ্টের সমস্যা ছিল। যদিও সুন্দরবনের পুলিশ সুপার কোটেশ্বর রাও জানিয়েছেন আদালতে পেশ করার সময় শারীরিক কোনও সমস্যা ছিল না যুবকের।









