
৬/৮৮ বিজয়গড় রোডের অনন্যা অ্যাপার্টমেন্ট, তিনতলা আবাসন। সবচেয়ে উপরের তলায় মায়ের সঙ্গে থাকতেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়।
সন্ধ্যাবেলা যখন প্রথমে খবরটা আসে, তখনও বাড়ির বাইরেটা সুনসান। কারণ, এই খবর আদৌ সত্যি কি না, তা বুঝতে পারছিলেন না অধিকাংশেই। রাত বাড়তেই ভিড় বাড়তে থাকে। বিজয়গড়ের মোড়ে থিকথিক করছে ভিড়। একে একে দেখা যাচ্ছে টলিপাড়ার চেনা মুখেদের। সবার প্রথমে আসেন সুদীপ্তা চক্রবর্তী। তার পর দেবলীনা দত্ত, সৌম্য মুখোপাধ্যায়। খানিক বাদে দেখা গেল রাহুলের শুরুর জীবনের সঙ্গী চিরদিনই তুমি যে আমার ছবির সহকারী পরিচালক অমিত দাসকে। দুঃসংবাদ পেয়েই শাশুড়িমায়ের কাছে ছুটেছিলেন প্রিয়াঙ্কা সরকার। কিছু ক্ষণ থেকে চলে যান ছেলে সহজের কাছে। সকলের থমথমে মুখ। সময়ের সঙ্গে ভিড় আরও বেড়েছে। এরই মধ্যে রটে গিয়েছে প্রিয়াঙ্কা আবার আসছেন। সঙ্গে ছেলে সহজ থাকবে কি না সন্দেহ ছিল। ঘড়ির কাঁটায় তখন ১১:১৫। নীল গাড়ি নিয়ে ঢুকলেন প্রিয়াঙ্কা। এর মাঝে তিনতলা থেকে নামলেন অরূপ বিশ্বাস। রাহুলের স্ত্রীকে নীচ থেকে নিয়ে ঘরে ঢুকলেন। শুধু স্টুডিয়োপাড়ায় নয়, বিজয়গড়ের পাড়াতেও রাহুলকে সবাই ভালবাসতেন।
কিছু দিন আগে পাড়ার টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করেছিলেন অভিনেতা।এমন অনেক স্মৃতিই আওড়াচ্ছিলেন তাঁর প্রতিবেশীরা।









