
চেরনোবিল পারমাণবিক চুল্লির ক্ষতিগ্রস্ত অংশের বিকিরণ প্রতিরক্ষা স্তরে রাশিয়ার একটি ড্রোন আঘাত হেনেছে বলে দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি।
হামলার ফলে সেখানে আগুন ধরে গেলেও পরে তা নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলে জানান তিনি।উল্লেখ্য বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ পারমাণবিক দুর্ঘটনাস্থল হিসেবে পরিচিত চেরনোবিল। সেখানে হামলার পর সকালে রাষ্ট্রসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষক সংস্থা আইএইএ জানিয়েছে, চেরনোবিলের ভেতরে ও বাইরে বিকিরণ মাত্রা স্বাভাবিক এবং স্থিতিশীল রয়েছে।রাশিয়া অবশ্য চেরনোবিলে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মস্কোর দাবি, তাদের সামরিক বাহিনী ইউক্রেনের পারমাণবিক পরিকাঠামোতে হামলা চালায় না এবং এই ধরনের যে কোনো দাবি বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। এদিকে,আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা,আইএইএ জানিয়েছে,বিস্ফোরণের পরপরই অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান।কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।ঘটনার পর সংস্থাটি উচ্চ সতর্কতা বজায় রেখেছে। সংস্থার মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসি বলেছেন,এ ধরনের পরিস্থিতিতে আত্মতুষ্টির কোনো সুযোগ নেই।উল্লেখ্য,১৯৮৬ সালে চেরনোবিলের পারমাণবিক চুল্লিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ফলে বিশাল পরিমাণে বিকিরণ ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল।বিস্ফোরণে চুল্লিটির ছাদ উড়ে গিয়েছিল। এ অবস্থায় যেন বিকিরণ না ছড়ায়, সে জন্য চুল্লির ক্ষতিগ্রস্ত অংশটির ওপর কংক্রিট এবং স্টিলের তৈরি একটি প্রতিরক্ষা স্তর সংযুক্ত করা হয়েছিল।
এর মধ্যে, প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা একটি ভিডিওতে ওই বিশাল প্রতিরক্ষা স্তরের ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি দেখিয়েছেন, যেখানে ড্রোন হামলার ঘটনাটি ঘটেছে।









