
আনন্দপুরের নজিরাবাদের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কলকাতার মেয়র ও রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। পরে খেয়াদহ-২ পঞ্চায়েত দফতরে গিয়ে নিখোঁজ শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।
ফিরহাদ হাকিম বলেছেন, কলকাতা পুরসভার টিম রয়েছে, দমকল রয়েছে, পুলিশের বিপর্যয় মোকাবিলা টিম রয়েছে। সবাই রয়েছে। আগুনটা খুব ভয়াবহ লেগেছিল। এবং পুলিশ এটা ইনভেস্টিগেট করছে। সবথেকে যেটা গুরুত্বপূর্ণ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে পাঠিয়েছেন, পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর জন্য। যারা চলে গিয়েছে, তাঁরা ফিরে পাওয়া যাবে না। পুলিশ খতিয়ে দেখবে, কতজন নিখোঁজ। যেরকম চারজনকে আজকে পাওয়া গিয়েছে, যারা দেশে চলে গিয়েছে। তবে এই মুহূর্তে, ভুক্তভোগী পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোই এখন খুব গুরুত্বপূর্ণ।
জলাজমি ভরাট করে, একাধিক এই কারখানা গড়ে উঠেছে বলে মন্তব্য ফিরহাদ হাকিম-র। এটা ২০০৬ সাল থেকে চলছে। কারণ কারও রুজিরুটি বন্ধ হলে, তখন বলবেন, ব্যবসা বন্ধ করে দিল, ইন্ডাস্ট্রি বন্ধ করে দিল।
অন্যদিকে, আনন্দপুরের নাজিরাবাদে ভস্মীভূত ডেকরেটার্সের গুদামের মালিককে জেরা করছে পুলিশ। সূত্রের খবর, আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে তদন্তের স্বার্থেই ওই ব্যবসায়ীকে তুলে আনা হয়। তবে তাঁকে আটক বা গ্রেফতার করা হয়েছে কি না, তা এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু জানায়নি পুলিশ।






