
ট্রাফিক আইন ভাঙলে সবার ক্ষেত্রেই জিরো টলারেন্স নীতি। সেনার ট্রাক আটকানো নিয়ে রাজ্য রাজনীতি উত্তপ্ত হতেই সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছেন ডিসি ট্রাফিক শ্রীকান্ত জগন্নাথ।
তিনি স্পষ্ট করেছেন সাধারণ মানুষ হলেও একই পদক্ষেপ করা হত। একইসঙ্গে তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন ঘটনাটি নিয়ে হেয়ার স্ট্রিট থানা যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছে। ইতিমধ্যে ঘটনার মুহূর্তের সিসিটিভি ফুটেজও প্রকাশ করেছে কলকাতা পুলিশ। সেই ফুটেজকে হাতিয়ার করে ডিসি ট্রাফিক জানিয়েছেন ওই জায়গায় কোনও রাইট টার্ন সিগন্যালই ছিল না। তাও সেনার ট্রাকটি রাইট টার্ন নিতে গিয়েছিল। ডিসি ট্রাফিক এটাও বলেছেন ঘটনাস্থলে পরিস্কার নো রাইট টার্ন বোর্ডও ছিল। তাই এটা স্পষ্টভাবে লেন ভায়োলেন্সের ঘটনা। একইসঙ্গে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোরও। ইতিমধ্যে গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
এদিকে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে নানা জায়গায় ভ্রান্ত তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ। সেই প্রেক্ষিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও করা হয়েছে।








