গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

29 C
Kolkata
29 C
Kolkata
More
    Home Lifestyle চুল পড়া কমাতে কলার খোসা

    চুল পড়া কমাতে কলার খোসা

    0
    110
    ছবি  সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

    সাধারণতঃ কলা খাওয়ার পর বেশিরভাগ সময়ই আমরা এর খোসা ফেলে দেই। কিন্তু গবেষণা বলছে, চুল পড়া বা চুলের রুক্ষতার সমস্যায় এই খোসাই হতে পারে কার্যকারী প্রাকৃতিক উপায়।

    কলার খোসায় এমন কিছু পুষ্টিগুণ রয়েছে, যা সরাসরি মাথার ত্বক ও চুলের গোড়ায় কাজ করে। এটি শুধু চুল পড়া কমায় না সঙ্গে চুলের গোড়ায় পুষ্টি জোগায় এবং নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে। এখন প্রশ্ন হলো,কলার খোসায় কী কী উপাদান আছে? উত্তর হলো কলার খোসায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম যা ফলিকল শক্ত করে এবং অতিরিক্ত চুল পড়া নিয়ন্ত্রণে রাখে। সেইসঙ্গে খোসায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট গোড়ায় প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে, ফলে চুল হয় মজবুত ও সুস্থ।এদিকে,ম্যাগনেশিয়াম, মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, যা দ্রুত চুল গজাতে সাহায্য করে। এছাড়া ভিটামিন বি সিক্স ও ভিটামিন সি,চুলকে শক্ত করে ও গঠন উন্নত করে। পাশাপাশি,প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার রুক্ষ ও শুষ্ক চুলকে নরম করে, মসৃণ করে তোলে।পিএইচ ভারসাম্য বজায় রাখে ,কলার খোসা ভিজিয়ে রাখা জল মাথার ত্বকের পিএইচ ব্যালান্স ঠিক রাখে।এবার কথা হলো,কিভাবে ব্যবহার করবেন কলার খোসা? প্রথমে,এক বা দুটি কলার খোসা ফুটন্ত জলেতে দিয়ে সিদ্ধ করুন। জল প্রায় অর্ধেক হয়ে আসলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করে নিন। এরপর স্প্রে বোতলে মিশ্রণটি তুলে রাখুন। শ্যাম্পুর পর চুলে স্প্রে করে ২০ মিনিট রেখে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রাকৃতিক কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করবে। তারপর,কলার খোসা ও নারকেল তেলের পেস্ট ব্যবহার করতে পারেন।কয়েকটি খোসা নারকেল তেলের সঙ্গে ব্লেন্ড করুন। তৈরি পেস্ট মাথার ত্বক ও চুলে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। পরে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই মিশ্রণ চুল পড়া কমায় এবং চুলকে করে নরম ও উজ্জ্বল। কলার খোসা, দই ও মধুর প্যাক ব্যবহার করতে পারেন।সেক্ষেত্রে,খোসা ব্লেন্ড করে তার সঙ্গে দই ও মধু মেশান। চুল ও মাথার ত্বকে ভালোভাবে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে দিন। এরপর শ্যাম্পু করুন। নিয়মিত ব্যবহার করলে চুল হবে কোমল ও ঝকঝকে।

    তবে,যেকোনো প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহারের আগে অ্যালার্জি হচ্ছে নাকি তা পরীক্ষা করে নিন।হাতের ত্বকে আগে সামান্য লাগিয়ে দেখে নিন। অস্বস্তি বা জ্বালা হলে ব্যবহার করবেন না। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।