
এসআইআর শুনানিতে জমা দেওয়া নথির স্ক্রটিনিতে রক্তের সম্পর্কের শংসাপত্র বা ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট জমা পড়েছে। সুপার চেকিংয়ে সময় এমন নথি ধরা পড়তেই তাজ্জব স্পেশাল রোল অবজার্ভাররা।
নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকায় এসআইআর-র জন্য ১৩টি নথি নির্দিষ্ট করে দিয়েছিল। ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার বা ইআরও-রা তারপরেও কীভাবে এই নথি জমা নিয়েছেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।কমিশনের দাবি এই ধরণের সার্টিফিকেটের কোনও অস্তিত্বই নেই। কিন্তু তা কিভাবে গ্রাহ্য হতে পারে তা নিয়ে
প্রশ্ন উঠেছে। যাঁরা এই নথি জমা নিয়েছেন, সেইসমস্ত ইআরওদের চিহ্নিত করছে কমিশন। তাঁদের জবাবদিহি করতে হতে পারে। অদ্ভুতকাণ্ড ধরা পড়েছে মেটিয়াবুরুজেও। সেখানেও দুই সন্তানের মধ্যে বয়সের ফারাক এক মাসেরও কম। এসআইআর স্ক্রুটিনিতে মেটিয়াবুরুজের ৫৫ নম্বর বুথে এমনই আজবকাণ্ড ধরা পড়েছে। এক কন্যা সন্তানের জন্মের তারিখ ১৯৯০ সালের ৫ ডিসেম্বর। অন্য সন্তানের জন্মের তারিখ ১৯৯১-র পয়লা জানুয়ারি।
২ সন্তানের জন্মের ফারাক মাত্র এক মাসেরও কম। কমিশন সূত্রে খবর ওই ব্যক্তির ১০ সন্তানের মধ্যে বেশিরভাগ সন্তানের জন্মের তারিখ পয়লা জানুয়ারি।






