
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এ আই-র ছোঁয়ায় গড়ে ওঠা অভিনেত্রী টিলি নরউড এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। যাকে নিয়ে কার্যত তোলপাড় শুরু হয়েছে হলিউডে, ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অস্কার মনোনীত অভিনেত্রী এমিলি ব্লান্টসহ অনেকেই।
উল্লেখ্য নেদারল্যান্ডসের নির্মাতা এলিন ভ্যান ডের ভেলডেন তৈরি করেছেন নরউডকে, যিনি দেখতে একেবারেই তরুণ উঠতি অভিনেত্রীর মতো। তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ছবি ভরা, আছে পুরোপুরি এআই-জেনারেটেড কমেডি স্কেচ, যেখানে তাকে বলা হয়েছে ,পাশের বাড়ির মেয়ে। এক পোস্টে নির্মাতারা লিখেছেন, আমি এআই হতে পারি, কিন্তু এ মুহূর্তে সত্যিকারের আবেগ অনুভব করছি। সামনে কী আসছে, তা নিয়ে আমি ভীষণ উচ্ছ্বসিত। কিন্তু বাস্তব হলিউড একে মোটেও সাদরে গ্রহণ করছে না। হলিউড সংগঠন স্যাগ-আফট্রা ও তারকা অভিনেত্রী এমিলি ব্লান্ট, নাতাশা লিয়ন, হুপ গোল্ডবার্গসহ অনেকই এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন।স্যাগ-আফট্রা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নরউড কোনো অভিনেত্রী নয়, বরং এমন এক কম্পিউটার প্রোগ্রাম, যা অসংখ্য পেশাদার শিল্পীর কাজ দিয়ে প্রশিক্ষিত হয়েছে। তার কোনো জীবনের অভিজ্ঞতা নেই, কোনো প্রকৃত আবেগ নেই। দর্শকেরাও কৃত্রিম চরিত্রের কনটেন্টে তেমন আগ্রহী নয়। ভ্যান ডের ভেলডেন অবশ্য জানিয়েছেন, নরউডকে তিনি,পরবর্তী স্কারলেট জোহানসন বানাতে চান। ইনস্টাগ্রামে টিলির ফিডে দেখা গিয়েছে ভুয়ো ফিল্ম টেস্টের ছবি, এমনকি জনপ্রিয় অনুষ্ঠান দ্য গ্রাহাম নরটন শো’র সোফায় বসা অবস্থায় তার এআই সম্পাদিত ছবি।ভ্যান ডের ভেলডেনের দাবি, টিলি কোনো মানুষের বিকল্প নয়, এটি কেবল এক শিল্পকর্ম।তাঁর কাছে টিলিকে তৈরি করা মানে যেন কোনো চরিত্র আঁকা, একটি ভূমিকা লেখা বা অভিনয় রূপ দেওয়া।
এগুলোকে মানুষের সঙ্গে তুলনা না করে আলাদা ঘরানার শিল্প হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।এদিকে,২০২৩ সালের দীর্ঘ লেখক–অভিনেতা ধর্মঘটের অন্যতম মূল ইস্যুই ছিল এআইয়ের ব্যবহার।স্যাগ-আফট্রা মনে করিয়ে দিয়েছে, নরউডকে কাজে লাগানো মানে শ্রমিকদের অর্জিত চুক্তিগত সুরক্ষা উপেক্ষা করা।








